কোরবানি ঈদের এক দিন আগে ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং চট্টগ্রামের পথে নেই কোন যানজট। ফলে কোন রকম দুর্ভোগ ছাড়াই ঘরে ফিরছেন ওই অঞ্চলের মানুষ।
তবে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান দুই ফেরিঘাটসহ গোটা সড়কই পরিণত হয়েছে ভোগান্তির আরেক নামে। ঈদ ঘনিয়ে আসায় শিমুলিয়া ও পাটুরিয়া দুই ঘাটেই ঘরমুখো মানুষের স্রোত।
সবগুলো ঘাট থেকেই চলাচল করছে যাত্রীবাহী লঞ্চ। তাই ফেরিতে মানুষের চাপ নেই। তবে আছে যানবাহনের তীব্র চাপ। ফলে ফেরি ও লঞ্চে ভেঙ্গে পড়েছে স্বাস্থ্যবিধি।
স্বজনেরা পাশে না থাকলে ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণ হয় না। তাই করোনা সংক্রমণের আতঙ্ক আর ঝুঁকিকে উড়িয়ে দিয়ে বাড়ির পথে ছুটে চলছেন লাখো মানুষ।
সোমবার (১৯ জুলাই) সকাল থেকেই মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে ঢল নামে মানুষের। গাদাগাদি করে লঞ্চে ওঠার সময় ছিলো না সামাজিক দূরত্ব, অনেকের মুখে ছিলো না মাস্কও।
১৫টি ফেরি চললেও ঘাটে এসে কয়েক ঘন্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে যানবাহনকে। আর ঘাটের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সামাল দিতে কাজ করছে পুলিশ।
একইভাবে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় ফেরি এবং লঞ্চ ঘাটে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ে যাত্রীদের ভিড়। গাদাগাদি করে হুমরি খেয়ে ফেরিতে উঠছে মানুষ।
সামাজিক দূরত্ব তো দূরের কথা, মাস্কও নেই অনেকের মুখে। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকির কথা জানেন সবাই, কিন্তু মাস্ক না পরার জন্য রয়েছে ঠুনকো সব যুক্তি।
এদিকে গাজীপুরের ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত যানবাহনের চাপ বেশি। তবে মহাসড়কে নেই কোনো যানজট।
সড়ক উন্নয়নে কাজ চলমান থাকা এবং বিভিন্ন জায়গায় ভাঙাচোরার কারণে গতি কমিয়ে চলতে হয় যানবাহনগুলোকে।
ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সেতুর পূর্ব পাড় পর্যন্ত কোথাও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যানজট ছিলো না। মহাসড়ক স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে পুলিশ।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কও ফাঁকা রয়েছে। কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই গন্তব্যে যাচ্ছে হাজারো মানুষ।
একাত্তর/আরএইচ