বাড়িয়ে বা কমিয়ে নয়, এখন থেকে মূল্যস্ফীতি ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রকৃত তথ্য প্রকাশ পাবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
মঙ্গলবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে এ কথা বলেন তিনি। উপদেষ্টা বলেন, অর্থনৈতিক নানান সূচকে তথ্যের গরমিল এখন থেকে আর হবে না। পরিসংখ্যান ব্যুরো যেন আরও সঠিকভাবে কাজ করতে পারে, সেদিকে নজর দিতে হবে।
আর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, সাথে অর্থের অপচয়ও রোধ করা হবে।
বিবিএসের হিসেবে জুনের চেয়ে ১ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেড়ে জুলাই মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশ। আর খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়ে, জুলাই মাসে পৌঁছাছে ১৪ দশমিক ১০ শতাংশে। যা গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।
যদিও প্রকৃত মূল্যস্ফীতি এর চেয়ে বেশি বলে বিভিন্ন সময় দাবি করে আসছেন ভোক্তা, অর্থনীতিবিদ সবাই।
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, কয়েকদিনের স্থবিরতার কারণে সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে পড়েছে, যার প্রভাবে বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়। তবে এখন বাজারে কিছু পণ্যের দাম কমেছে। সবকিছু স্বাভাবিক হলে দাম আরও কমে আসবে।
তিনি বলেন, শুধু জরুরি প্রকল্প ব্যয়ে অর্থের জোগান দেওয়া হবে যেন স্থবিরতা সৃষ্টি না হয়। কম টাকা ব্যয় করে বেশি সুফল মেলে এমন সব প্রকল্পে অর্থছাড় করা হবে বেশি।
সমন্বয়হীনতা ও দক্ষতার অভাবে অর্থের অপচয় হচ্ছে, যা বন্ধ করতে হবে বলেও মন্তব্য করে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা। বলেন, দায় এড়ানোর সুযোগ কাউকে দিবেন না তারা।
এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন গভর্নর নিয়োগ হতে পারে ইঙ্গিত দিয়েছেন সালেহউদ্দিন আহমেদ। বলেছেন, ব্যাংকিং সেক্টরকে আমূল সংস্কার করার পরিকল্পনা আছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের।