মাঝ আকাশে ককপিটের কাচে ফাটল, তারপর...

২৪৪ জন যাত্রী নিয়ে দুবাই থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়ান। বেশ কিছুটা পথ এগিয়েও আসে। হঠাৎ করেই ককপিটের জানালার কাচে ফাটল ধরা পড়ে।

আর তখনই বাধ্য হয়ে আবার ফিরতে হয় দুবাইয়ে। সেখানে যাত্রীসহ নিরাপদে অবতরণ করেছে বিমানের ৭৮৭-৮০০ ড্রিমলাইনার মডেলের উড়োজাহাজটি। 

রোববার এ ঘটনা ঘটেছে। যাত্রীদের আনতে ঢাকা থেকে আরেকটি ফ্লাইট দুবাই পাঠানো হয়েছে বলে বিমান বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। 

এদিন স্থানীয় সময় ভোর ছয়টা পাঁচ মিনিটে বিজি-০৩৪৭ ফ্লাইটটি দুবাই থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। ফ্লাইটটি ওমানের আকাশসীমায় থাকার সময় ককপিটের গ্লাসে ফাটল দেখা দেয় বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এরপরই আর কালক্ষেপণ না করে উড়ানটি আবার দুবাইয়ে ফিরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন পাইলট। 

বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বসরা ইসলাম বলেন, ওই ফ্লাইটের যাত্রীদের ফিরিয়ে আনতে দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে বিমানের একটি ফ্লাইট দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরেকটি ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষা করছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।

মাঝ আকাশে আকস্মিক এ ঘটনায় বিপাকে পড়েছেন ওই ফ্লাইটটির যাত্রীরা। দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরেকটি ফ্লাইটের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। 

অবশ্য বিমানের ফ্লাইটে ককপিটের কাচে ফাটল এই প্রথম নয়। এর আগেও বেশ কয়েকবার একই ঘটনা ঘটেছে।

গত ২১ জানুয়ারি ঢাকা থেকে ২৯৭ জন যাত্রী নিয়ে সৌদি আরব রওনা হয় ড্রিমলাইনার মডেলের একটি উড়োজাহাজ। কিন্তু ককপিটের কাচে ফাটল দেখা দেওয়ায় দুই ঘণ্টা পর আবার ঢাকায় ফিরে আসে ফ্লাইটটি। 

গত জুন মাসেও চট্টগ্রাম থেকে আবুধাবিগামী বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজের উইন্ডশিল্ডে ফাটল দেখা দেওয়ায় ঢাকায় জরুরি অবতরণ করে। 

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ককপিটের গ্লাসে ফাটল দেখা দেওয়ায় বোয়িং-৭৩৭ মডেলের উড়োজাহাজটি মালয়েশিয়ায় অবতরণ করে। ওই বছরই আরেকটি ড্রিমলাইনার দোহা যাওয়ার সময় ককপিটের কাচে ফাটল দেখা দিলে ভারতের আকাশসীমা থেকে ঢাকায় ফিরে আসে।