সব নদীর পানি বিপদসীমার নিচে

দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি সমতল বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের উজানে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত নেই।

এতে জানানো হয়, শেষ ২৪ ঘণ্টায় যশোর ১৬২ মি.মি বৃষ্টির রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া পাবনায় ১৪৩ মি.মি, খুলনায় ১৬০ মি.মি, ফরিদপুরে ১২৬ মি.মি, ঢাকায় ১২২ মি.মি, কুষ্টিয়ায় ৮১ মি.মি, ভাগ্যকুলে (মুন্সিগঞ্জ) ৭৭ মি.মি, টাঙ্গাইলে ৭৪ মি.মি, হরিদাসপুরে (গোপালগঞ্জ) ৭২ মি.মি, সিরাজগঞ্জে ৬৯ মি.মি, আত্রাইয়ে (নওগাঁ) ৬৬ মি.মি ও সাতক্ষীরায় ৬১ মি.মি বৃষ্টিপাত হয়েছে।

বরিশাল, খুলনা ও ঢাকা বিভাগের উপকূলীয়/জোয়ারভাটা প্রবণ নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও তার আশপাশের এলাকার স্থল গভীর নিম্নচাপটি আগামী ১২ ঘণ্টায় দুর্বল হয়ে পড়তে পারে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টায় উপকূলীয় অঞ্চলে ভারি বৃষ্টির প্রবণতা কমে আসতে পারে। এর ফলে এই সময় খুলনা, বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের নদীগুলোর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকতে পারে।

এর বাইরে রংপুর বিভাগের ব্রহ্মপুত্র নদ ও তার ভাটিতে যমুনা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে এবং বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিনে ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি ধীর গতিতে কমতে পারে।

রাজশাহী বিভাগের গঙ্গা নদী ও তার ভাটিতে পদ্মা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে এবং বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় গঙ্গা ও পদ্মা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকতে পারে। পরের চার দিনে নদী দুটোর পানি বাড়তে পারে। তাও পানি বিপদসীমার নিচেই থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে এবং বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সামনের তিন দিনে এসব নদীর পানি কমবে।

সিলেট বিভাগের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি কমছে এবং মনু ও খোয়াইয়ের পানি সমতল স্থিতিশীল আছে এবং বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

চট্টগ্রামের ফেনী, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি কমছে। মুহুরী, হালদা ও গোমতী নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে এবং বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশে ভারী বৃষ্টির প্রবণতার কমে আসায় আগামী তিন দিন চট্টগ্রাম বিভাগের নদীগুলোর পানি কমতে পারে।