রাজধানীর বায়তুল মুকাররমে জুমার নামাজে ইমামতি করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনাকে অনাকাঙ্খিত, নিন্দনীয় এবং অপরাধ হিসেবে মন্তব্য করেছে সরকার। একই সঙ্গে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
শুক্রবার রাতে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তি এই তথ্য জানায় ধর্ম মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীকের পাঠানো ওই বার্তায় বলা হয়, জাতীয় মসজিদে এধরনের হামলা ও ক্ষতিসাধনের ঘটনা অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত।
অতীতে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক কারণে বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি দেখা গেলেও মসজিদের ভেতরে এমন ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা নজিরবিহীন। এ ঘটনার জন্য পরস্পরকে দোষারোপ করছেন ঘটনার কেন্দ্রে থাকা খতিব ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমাম।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ তালেবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি রুহুল আমিনের অনুসারীদের সঙ্গে কিছু মুসল্লির মারামারির এ ঘটনা ঘটে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি রুহুল আমিন মসজিদে আসা বন্ধ করে দেন। তখন ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে ওয়ালীয়ুর রহমান খান ও মুফতি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহকে নামাজ পড়ানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়।
শুক্রবার জুমার নামাজ সামনে রেখে খতিব রুহুল আমিন তার ৩০০–৪০০ অনুসারী নিয়ে বায়তুল মোকাররমে আসেন। তিনি এক পর্যায়ে মাইক নিয়ে কথা বলতে যান। তখন বায়তুল মোকাররমে নবগঠিত মুসল্লি কমিটির লোকজন হট্টগোল শুরু করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।
পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।