সাইবার নিরাপত্তাসহ গণবিরোধী আইন সংস্কার করা হবে: আসিফ নজরুল

বিগত সরকারের আমলে তথ্য অধিকার বিনাশ করা হয়েছিলো জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, সাইবার নিরাপত্তা আইনসহ গণবিরোধী আইন সংস্কার করা হবে। 

রোববার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনজিও বিষয়ক ব্যুরো ভবনে ‘স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিমূলক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তথ্য অধিকার: এনজিওদের সহায়ক ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আসিফ নজরুল বলেন, সাইবার নিরাপত্তা আইন দ্রুত সংশোধন করা হবে। এই আইন একেবারে বাদ দেওয়া যাবে না। স্পিচ অফেন্স বাদ দেবো কিন্তু কম্পিউটার অফেন্সিভ কাজ বাদ দেওয়া যাবে না। কোনো কম্পিউটার হ্যাক করে কারও মানহানি করলে এটা বাদ দেওয়া যায় না।

বিগত সরকারের আমলে তথ্য অধিকার বিনাশ করা হয়েছিলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইন তৈরি হয়েছে যথাযথ প্রয়োগ করা যায়নি। অরাজকতার জঘন্য উদাহরণ সৃষ্টি করা হয়েছিলো। এগুলো যেন আর ফিরে না আসে, সেই ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, নিপীড়নের বড় হাতিয়ার তথ্য গোপন করা। শাসন, আইন, বিচার বিভাগ ঠিক না করে কোনো আইনের প্রয়োগ করা সম্ভব নয়। সবচেয়ে সোচ্চারভাবে বলতে হবে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, ২০০৯ সালে তথ্য অধিকার আইন হলেও এখন পর্যন্ত ৪৬ ভাগ এনজিওর ওয়েবসাইট নেই। গড়ে সারাদেশে ২৯ শতাংশ তথ্য জানানো হয়েছে তথ্য অধিকার আইনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে। 

এসময় দুদক সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, তথ্য আইনের অংশীজনদের মতামত নিয়ে তথ্য কমিশনের সংস্কার করতে হবে। 

অন্যদিকে নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নাগরিকদের ক্ষমতায়িত করতে হলে সরকারি অফিসের তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আনতে হবে।