বাজারে খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার ১০ লাখ টন চাল ও গম আমদানি করছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) সচিবালয়ে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, খাদ্য পরিস্থিতি সন্তোষজনক। কিন্তু বাজারে তার প্রতিফলন হচ্ছেনা। সরকার সরবরাহ নিশ্চিত করতে চায়। তাই আমরা খাদ্য মজুদ করতে চাই। তা না হলে ব্যবসায়ীরা সুযোগ নেবার চেষ্টা করে। তাই আমদানি করে হলেও সবসময় মজুদ যথাযথ রাখতে চাই।
ইসলামিক ডেভলপমেন্টের মিটিংয়ে যাওয়ার কারণে অনেকে ভাবছে ইসলামিক দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন হচ্ছে, এ ধারণা অমূলক।
খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, আউশ ও আমনের ঘাটতি হয়েছে অকাল বন্যার জন্য। সামনে আছে বোরো। আশানুরূপ ভালো হলে ঘাটতি কিছুটা মেটাতে পারবো। কিন্তু অপেক্ষা করবো না, আমদানি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ হলে খরচ কম হয়। দূরে হলে মাল্টিপল চয়েজ রাখা হবে। আশা করি ঘাটতি হবে না। চাল ও গম মিলিয়ে ১০ লাখ টন আমদানির পাইপলাইনে আছে।
তিনি বলেন, বোরো সংগ্রহ চাহিদা অনুযায়ী না হলে আমদানির পরিমাণ আরো বাড়বে। যে কোনো ধরনের পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছে সরকার। ভারত ছাড়া মিয়ানমার থেকে ১ লাখ টন চাল আমদানি করা হবে। ৩ লাখ টনের মতো গম আনা হবে, যার বেশিরভাগই আসবে রাশিয়া থেকে।
আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বেশিরভাগ চাল কেনা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারতে দাম কম এবং পরিবহন তুলনামূলক সহজ। তবে অন্য দেশ থেকেও আনা হবে। পাকিস্তান থেকে ৫০ হাজার টন ও ভিয়েতনাম থেকে ১ লাখ টন আমদানি করা হবে। বাজারে চালের দামের অস্থিরতা কিছুটা কমেছে। ক্রমান্বয়ে দাম কমে আসবে।