জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনে গণহত্যার বিচার ঈদের পরেই শুরু করা যাবে বলে আশাবাত জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, এসব মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তদন্তের কাজ শেষ পর্যায়ে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তাজুল ইসলাম বলেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালের কমান্ড রেসপনসিবিলিটির মামলায় সবচেয়ে বেশি ডকুমেন্ট জড়িত। সেটারও চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, আশা করছি, ঈদের পর সেটাও চলে আসবে। কারণ, শেখ হাসিনার কমান্ড রেসপনসিবিলিটি প্রমাণ করার জন্য সব মামলার সারসংক্ষেপ এখানে চলে আসবে। এর বাইরে কেন্দ্রীয় ব্যাপার-স্যাপার আসবে। এটা অনেক বড় মামলা। সে জন্য একটু বেশি সময় লাগছে। আশা করছি, ঈদের পরপর এটাও চলে আসবে।
এ সময় জুলাই গণহত্যার দ্বিতীয় মামলা হিসেবে চানখারপুলের হত্যা মামলায় তদন্ত শেষ হয়েছে জানিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখারপুলে ৭ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তদন্ত শেষ হয়েছে। মামলায় আসামির সংখ্যা আট জন। এরইমধ্যে খসড়া প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি।
গণ-অভ্যুত্থানের সময় সাভারের আশুলিয়ায় ছয়জনের লাশ পোড়ানোর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় বাড়িয়ে আগামী ২৮ এপ্রিল নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার এই সময় বাড়ানো হয়।
চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের খসড়া ইতিমধ্যে আমাদের হাতে চলে এসেছে। হয়ত কয়েকদিন সময় লাগবে মাত্র। আদালত ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দিয়েছেন। কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত হয়ে গেছে। ঈদের পর আনুষ্ঠানিকভাবে দাখিল করা হবে। অনানুষ্ঠানিকভাবে আমাদের হাতে চলে এসেছে। সে কারণে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দিয়েছেন। আমরা আশা করছি, এই মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগের মধ্য দিয়েই হয়ত আনুষ্ঠানিক বিচারকাজটা শুরু করা যাবে।