বাবার পথ ধরেই এদেশের মানুষের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছি। কয়েকবার মুত্যু সামনে এসে দাঁড়িয়েছি, আল্লাহ বাঁচিয়েছে। এতো বাধা অতিক্রম করে এসেছি। এখন এদেশের দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমার কাজ।
শনিবার (২১ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার দিনে আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।
এ আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়েছিলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, সেই সময়ের সরকার আলামত নষ্ট করে, সংসদে কথা বলতে না দিয়ে, তদন্ত কমিটির বানোয়াট রিপোর্ট দিয়ে সর্বশেষ জজ মিয়া নাটক বানিয়ে তদন্ত বাধাগ্রস্ত করে।
তারা গুম খুনের অভিযোগ করে, আবার হারিছ চৌধুরী, সালাউদ্দিনদের বিভিন্ন দেশে পাওয়া যায়। জানা যায় তারা নিজেরাই নিজেদের গুম করেছিল। এমন ঘটনাও বাংলাদেশে ঘটে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একুশে আগস্টের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হওয়ার পর ওই দিনই চারজনকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। খালেদা জিয়া ও তারেকের তত্ত্বাবধানে তাদের পাঠানো হয়। ওই ঘটনায় তখনকার পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থাসহ সবাই জড়িত ছিল।
আরও পড়ুন: ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসের সেই ২১ আগস্টও ছিল শনিবার
শেখ হাসিনা বলেন, যারা গণতন্ত্রের কথা বলে, এটা কিসের গণতন্ত্র। একটা প্রকাশ্য জনসভায় কীভাবে আর্জেস গ্রেনেড মারতে পারে?
সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, কার্যনির্বাহী সদস্য ও বিএমএ’র সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী প্রমুখ।
একাত্তর/আরএ