আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধে স্বস্তিতে মানুষ: প্রেস সচিব

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সব ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত বড় বড় রাজনৈতিক দলসহ সবাই মেনে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি আরও বলেন, এই সিদ্ধান্তের কারণে দেশের মানুষের স্বস্তির নিঃশেষ ফেলছেন। 

সোমবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। শফিকুল আলম বলেন, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ভোটাধিকার কেড়ে নেয়ার দায়ে। 

তিনি বলেন, তারা দেশের মানুষের অধিকার খর্ব করেছিল তাই সবার সাথে কথা বলেই দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার কারণে বাংলাদেশের মানুষ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে।

প্রেস সচিব বলেন, জাতিসংঘের প্রতিবেদনে ১৪০০ মানুষকে হত্যার তথ্য উঠে এসেছে। আমাদের হিসেবে এই সংখ্যা আরও বেশি। কিন্তু আওয়ামী লীগের মধ্যে এ নিয়ে কোনো অনুশোচনা নেই। 

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের সময় তারা যে কাউকে জঙ্গি বানিয়েছে। এখন নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।

সংবাদকর্মীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, সংবাদকর্মীদের সুবিধার বিষয়ে ইউনিয়নগুলোর কথা বলা উচিত। তারা মালিকদের সঙ্গে কথা বলবে। 

তিনি বলেন, আমাদের ইউনিয়নগুলো গত ১৫ বছরে পূর্বাচলের প্লট নিয়ে ব্যস্ত ছিল। আমাদের সাংবাদিকদের তারা ভয়াবহ ভাবে ঠকিয়েছে। ডিএফপির বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা উচিত। 

প্রেস সচিব আরও জানান, একটা আন্ডারগ্রাউন্ড পত্রিকা তথ্য চুরি করে অন্য পত্রিকা থেকে। তারপর সেটা ছাপিয়ে দেয়। এটা ভালো সাংবাদিকতা হতে পারে না।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের বেতন ৩০ হাজার টাকার নিচে হতে পারে না। বেতন দিতে না পারলে পত্রিকা বন্ধ করে দেন।

এছাড়া, সরকারি অফিসে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতে নির্দেশনা দেয়া আছে এবং প্রধান উপদেষ্টার অফিস সাংবাদিকদের সব তথ্য সরবরাহ করছে বলেও জানান প্রেস সচিব। 

এ সময় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন সোহেলসহ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।