সাত মাসে ৪০ কোটি ডলারের চীনা বিনিয়োগ পেয়েছে বাংলাদেশ: চীনা রাষ্ট্রদূত

অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর চীনের সঙ্গে কুটনৈতিক ও ব্যবসায়ী সম্পর্ক জোরদার করেছে সরকার। চীনা বিনিয়োগের গতিও বাড়ছে দিন দিন। তারই ধারবাহিকতায় সাত মাসে ৪০ কোটি ডলারের চীনা বিনিয়োগ পেয়েছে বাংলাদেশ।

চীন-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তীর নতুন যাত্রায় দুদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কও অনন্য উচ্চতায় যেতে চায় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

বুধবার (৯ জুলাই) রাজধানী ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে  ‘চীন-বাংলাদেশ শিল্প ও সরবরাহ চেইন সহযোগিতা’ -শীর্ষক সেমিনারে এই মন্তব্য করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বাংলাদেশে চীনা উদ্যোক্তাদের সংগঠন চায়না এন্টারপ্রাইজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ-সিইইএবি এই সম্মেলনের আয়োজন করে। যেখানে বাজার প্রবণতা, বিনিয়োগের সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ সমূহ চিহ্নিত করে শিল্প প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সিইইএবি প্রেসিডেন্ট হান কুন এই গবেষণা প্রতিবেদন পেশ করেন।

যেখানে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ-জ্বালানি, সড়ক, বন্দর, টেক্সটাইল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিসহ নানা বিষয়ে সহযোগিতার প্রসঙ্গ উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় নিয়ে চীনা কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহী।

চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক খাতেও অবদান রাখবে চীন বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

চৌধুরী আশিক বলেন, বিনিয়োগ বাড়াতে চীনে বিডার একটি অফিস খোলা হবে। বাংলাদেশে চায়না টাউন নেই, ঢাকায় একটি চায়না টাউন প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।