২০২২ সালে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলে এবং বাংলাদেশ হতে হজে গমনের অনুমতি পাওয়া গেলে পূর্বে যারা প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন করেছেন তারা ক্রম অনুসারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হজে গমন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।
বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় বাংলাদেশ হতে হজে গমনেচ্ছু নিবন্ধিত ব্যক্তিগণের বিষয়ে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তিনি একথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধনকারী ব্যক্তি জমাকৃত অর্থ উত্তোলন করতে চাইলে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে আবেদন করে সে অর্থ উত্তোলন করেত পারবেন।
তিনি জানান, সরকারি ব্যবস্থাপনাধীন হজে গমনের জন্য ২০২০ সালে ৩ হাজার ৪৫৭ জন নিবন্ধন করেছিলেন। এদের মধ্যে ৭৫৭ জন তাদের নিবন্ধন বাতিল করে রিফান্ড গ্রহণ করেছেন এবং ২ হাজার ৭০০ জন বর্তমানে নিবন্ধিত রয়েছেন।
এছাড়া বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২০২০ সালে হজে গমনের জন্য ৬১ হাজার ১৪২ জন নিবন্ধন করেছিলেন। উক্ত ব্যক্তিগণের মধ্যে ৭৭১৯ জন তাদের নিবন্ধন বাতিল করে রিফান্ড গ্রহণ করেছেন এবং বর্তমানে ৫৩ হাজার ৪২৩ জন নিবন্ধিত রয়েছেন।
আরও পড়ুন: ভুল নকশায় সেতু: নৌযান চলাচল বন্ধ, হাঁট বন্ধের উপক্রম
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ২০২০ সালের ৩০ এপিল পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু ছিল। এরপর আর কোনো নিবন্ধন করা হয়নি। তবে হজের প্রাক-নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু রয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তির সংখ্যা ৫ হাজার ২ শত ২৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তির সংখ্যা ১ লাখ ৭৪ হাজার ১৫৪ জন।
প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, নিবন্ধিত হজযাত্রীদের পাসপোর্টের মেয়াদ অতিক্রান্ত হয়ে থাকলে ২০২২ সালে হজে গমনের ক্ষেত্রে তা নবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সভায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নূরুল ইসলাম ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন, পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পাসপোর্ট অধিদপ্তর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ব্যাংকসমূহ, হজ এজেন্সি এসোসিয়েশন অভ্ বাংলাদেশ (হাব) এর প্রতিনিধিসহ হজ ব্যবস্থাপনার সাথে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
একাত্তর/আরএইচ