সারাদেশে শেষ হয়েছে স্কুল কলেজ খোলার প্রস্তুতি। বিশেষ নিয়মে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করাতে প্রস্তুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো।
সেই সঙ্গে করোনার সংক্রমণ কমাতে অপ্রয়োজনে অভিভাবকদের ভিড় না করার অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, বন্যাকবলিত অনেক জেলায় নির্ধারিত দিনে খুলছে না স্কুল। পানি নেমে গেলে প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে খোলা হবে বন্যাকবলিত এলাকার স্কুল।
শিক্ষা কার্যক্রম চালু করতে ২৯৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত চট্টগ্রামে। সরকারি নির্দেশনা মেনে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে ক্লাসরুম।
স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় রাখা হয়েছে স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী। ক্লাস চলার সময় অভিভাবকদের ভিড় না করার অনুরোধ করেছেন শিক্ষা কর্মকর্তারা।
বিভাগীয় শহর বরিশালে প্রস্তুত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কবে কার ক্লাস নেয়া হবে সেই সংক্রান্ত বার্তা পৌঁছে গেছে শিক্ষার্থীদের কাছে।
এছাড়া, মাস্ক ছাড়া কেউ স্কুলে আসতে পারবেনা এমন বার্তাও দেয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের বিভিন্ন বিষয়গুলোও।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় জমে থাকা ধুলা-বালি ধুয়ে-মুছে সাফ করা হয়েছে রাজশাহীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে থাকবে একাধিক মনিটরিং টিম।
ক্লাস শুরু করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত মানিকগঞ্জের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো।
আবারো সরব হবে ক্লাসরুম তাই সব প্রস্তুতি শেষ কুমিল্লার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। শিক্ষকদের সভা করে পাঠদান কার্যক্রম চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।
আটশ’রো বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত করা হয়েছে বরগুনায়। স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মানাতে টানানো হয়েছে ফেস্টুন।
রংপুর মহানগরের ২১৮টি সহ জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাঠদানের জন্য প্রস্তুত। তবে বন্যাকবলিত ১১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অন্যভাবে চালানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
জামালপুরে বন্যার কারণে শ্রেণীকক্ষ নষ্ট, মাঠে কাঁদা আর যাতায়াত ব্যবস্থা স্বাভাবিক না হওয়ায় নির্ধারিত দিনে বেশিরভাগ স্কুল খোলা সম্ভব হচ্ছে না।
একাত্তর/এআর