প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বর্তমান সরকারের চতুর্থ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় দুই হাজার ২৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ের মোট আটটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন, তিনটি সংশোধিত এবং দুটি মেয়াদ বৃদ্ধি প্রকল্প। তবে বহুল আলোচিত ও সম্ভাব্য তালিকায় থাকা ‘চীনা অর্থনৈতিক জোন স্থাপন’ প্রকল্পটি সভায় অনুমোদন পায়নি।
মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এই একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদিত আটটি প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল (জিওবি) থেকে জোগান দেওয়া হবে দুই হাজার ২২৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ব্যয় হবে ৩৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।
অনুমোদিত আটটি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে:
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘চট্টগ্রামের আনোয়ারা-বাঁশখালী-চকরিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্তকরণ’ প্রকল্প।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ-২’ এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘দ্বিতীয় পর্যায়ে ঢাকা সিএমএইচ-এ ক্যান্সার সেন্টার নির্মাণ’ প্রকল্প।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি প্রকল্প—‘মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট (তৃতীয় সংশোধন)’ এবং ‘দেশের ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন’ প্রকল্প।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ‘দেশের ৩৩টি জেলায় সার্কিট হাউজ এবং ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট সংযোজন’ প্রকল্প।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতা বর্ধন’ প্রকল্প।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন’ প্রকল্প।
তবে এদিন একনেক সভায় চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ‘চীনা অর্থনৈতিক জোন স্থাপন’ প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য টেবিলে উঠলেও দীর্ঘ আলোচনার পর শেষ পর্যন্ত তা অনুমোদন পায়নি।