একটি সমৃদ্ধ, প্রগতিশীল ও কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশপ্রেমিক নাগরিক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, তরুণ উদ্যোক্তা এবং গবেষকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্র গঠনে সরকারের সাথে সবার সম্পৃক্ততার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, দেশ পরিচালনায় সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। তাই আসুন আমরা সকলে মিলে এমন একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে কাজ করি, যাতে আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত সেই লক্ষ্য ও রাষ্ট্র গঠনে সক্ষম হই।
শনিবার সকালে রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই উদ্ভাবন মেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নভোথিয়েটারে এই মেলা চলবে তিন দিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডক্টর আনিসুজ্জামানসহ অন্যান্য বিশিষ্ট বক্তাদের দিক-নির্দেশনামূলক বিষয়ের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, অনুষ্ঠানে উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি নিয়ে উপস্থাপন করা বিষয়গুলোর মধ্য দিয়েই আগামী দিনের জাতীয় কর্মপন্থা নির্ধারিত হয়ে গেছে। এই কর্মপন্থাগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারলেই দেশ নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে।
দেশের সার্বিক অগ্রগতিতে উদ্ভাবক ও ব্যবসায়ীদের অবদানের কথা স্মরণ করে তারেক রহমান আশ্বাস দেন, বর্তমান যুগে রাষ্ট্র ও সরকারের প্রয়োজনে নতুন নতুন উদ্ভাবনী শক্তি নিয়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সরকার উদ্যোক্তা ও গবেষকদের সর্বাত্মক সহায়তায় সব সময় পাশে থাকবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের এই বিশেষ মেলায় দেশি-বিদেশি উদ্ভাবক, প্রযুক্তিবিদ, বিভিন্ন পর্যায়ের গবেষক এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বুয়েটের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আনিসুজ্জামান তালুকদার এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব।
তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনীতি ও প্রযুক্তি খাতকে বিশ্বমঞ্চে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াই এই ইনোভেশন ফেয়ারের মূল উদ্দেশ্য বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।