মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ কিংবা তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মর্মে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত খবরটি সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে তাঁর দপ্তর। প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা রোববার রাতে এক জরুরি বিবৃতিতে এসব কথা জানান।
পরে, রাতে গণমাধ্যমের কাছে পাঠানো এক অডিও বার্তায় ইশরাক হোসেনও বলেন, তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে’ মর্মে যে সংবাদটি প্রচারিত হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল এবং জনসাধারণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে এই ধরনের কাল্পনিক ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তারবিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন তাঁর অর্পিত সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও সুনামের সঙ্গে নিয়মিত পালন করে যাচ্ছেন। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাঁকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি এবং তাঁর পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। মূলত একটি স্বার্থান্বেষী মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করা এবং সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অসৎ উদ্দেশ্যে এই ধরনের কল্পিত ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে।
ঘটনার নেপথ্য তুলে ধরে প্রেস কর্মকর্তা বিবৃতিতে জানান, সম্প্রতি নিজ সংসদীয় এলাকায় একটি মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে উদ্ভূত অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে কেবল আত্মরক্ষার্থে আইনসম্মতভাবে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনাটি ঘটেছিল। ওই বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আগেই দেশের মানুষের কাছে তাঁর অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। সুতরাং সেই ঘটনাকে পুঁজি করে তাঁর পদত্যাগ সংক্রান্ত যেকোনো খবর ছড়ানো সম্পূর্ণ বেআইনি এবং তা সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিমালার পরিপন্থী।
প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা সংশ্লিষ্ট সব গণমাধ্যম ও দেশবাসীকে এ ধরনের পরিকল্পিত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। পাশাপাশি যেসব গণমাধ্যম বা সামাজিক মাধ্যম এই বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করেছে, তাদের অনতিবিলম্বে তা প্রত্যাহার করে সঠিক তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানান। অন্যথায় অপপ্রচার চালিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও বিবৃতিতে হুশিয়ার করা হয়েছে।