পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে যা বললেন ইশরাক হোসেন

নিজের পদত্যাগ বা পদত্যাগের নির্দেশ সংক্রান্ত গুজব ও গুঞ্জন নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে মন্ত্রিপরিষদের যে কোনো সদস্যের প্রতি পদত্যাগ বা অন্য কোনো নির্দেশনা এলে তা প্রথাগতভাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই কার্যকর হয়ে যায়; ফলে এ ধরনের তথ্য নিয়ে কোনো তৃতীয় বা চতুর্থ ব্যক্তির মাধ্যম ধরে সংশয়ে থাকার কোনো অবকাশ নেই। কোন সিদ্ধান্ত হলে সংবাদ সম্মেলন করা জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

রোববার রাত সাড়ে ১২টার পর নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক বিশেষ স্ট্যাটাস প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এসব কথা বলেন।

Israk Facebook Status

ইশরাক হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাই সরকারের মূল ভিত্তি। যদি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় বা তাঁর ক্ষেত্রে এমন কোনো সিদ্ধান্তের বিষয় আসে বা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে তা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিলম্ব না করে সংবাদ সম্মেলন ডেকে বিস্তারিত তথ্য তিনি নিজেই দেশবাসীকে জানাবেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের কোনো প্রসেস বা সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে তা আড়াল করার সুযোগ নেই। তাই ভিত্তিহীন বা দূরবর্তী কোনো সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে বিভ্রান্ত না হয়ে সঠিক তথ্যের জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর তরফ থেকে আসা আনুষ্ঠানিক বার্তার অপেক্ষা করার আহ্বান জানান তিনি।

এরআগে, গণমাধ্যমের কাছে পাঠানো এক অডিও বার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে’ মর্মে যে সংবাদটি প্রচারিত হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। একটি মহল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল এবং জনসাধারণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে এই ধরনের কাল্পনিক ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি।

তার আগে, প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তা এক জরুরি বিবৃতিতে জানান, তিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ কিংবা তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মর্মে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত খবরটি সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন তাঁর অর্পিত সরকারি ও রাজনৈতিক দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও সুনামের সঙ্গে নিয়মিত পালন করে যাচ্ছেন। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাঁকে পদত্যাগের কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি এবং তাঁর পদত্যাগের কোনো প্রশ্নই ওঠে না।