৫০ বছরে বদলে যাওয়া এক বাংলাদেশ। ভঙ্গুর অথর্নীতির তকমা ঘুচে দেশের
অর্থনীতির আকার ছাড়িয়েছে ৪০০ বিলিয়ন ডলারের ঘর।
স্থিতিশীল অর্থনীতি, প্রবৃদ্ধি আর সামাজিক সূচকে অগ্রগতি দিয়ে, পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ আজ এক বিস্ময়ের নাম।
বিশ্লেষকরা বলছেন, স্থিতিশীল রাজনীতি থাকলে, আরও অনেক আগেই উন্নত দেশে পৌঁছে যেতো বাংলাদেশ। তারপরও যা অর্জন, সেটা রীতিমতো বিস্ময়কর।
স্বাধীনতা যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে এখন মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। তলাবিহীন ঝুলির দেশ হয়েছে উদীয়মান বাঘ।
দেশের এই এগিয়ে যাবার গল্পের সাক্ষী ৮৫ বছর বয়সী কৃষক রওশন আলী। যিনি দেখেছেন স্বাধীনতার আগে ও পরের বাংলাদেশকে। দেখেছেন বদলে যাওয়া এক বাংলাদেশকে।
বাংলাদেশে এখনও অর্থনীতির মুল শক্তিটা কৃষিখাত। সবজি, মাছ বা চালের উৎপাদনে হচ্ছে নিত্য রেকর্ড। নতুন আঙ্গিকে বিনিয়োগ আর পরিকল্পনায় এগুচ্ছে শিল্প আর সেবা খাত।
বিজয়ের ৫০ বছরে এদেশ সমৃদ্ধি আর সোপানে বহু আগে ছাড়িয়েছে পাকিস্তানকে। দেশটির চেয়ে কমপক্ষে এক হাজার ডলার বাড়তি মাথাপিছু আয়।
দারিদ্র্যতার হার কিংবা সামাজিক সব সূচকেও অনন্য, বিস্ময়। অগ্রযাত্রার ৫০ বছরে শুধু পাকিস্তানই নয় বাংলাদেশ পেছনে ফেলেছে বহু দেশকেও।
আর বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ছাড়িয়েছে ৩৫ লক্ষ কোটির ঘরে। নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু, স্বপ্নের মেট্রোরেল নদীর তলদেশে টানেল পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র।
আরও পড়ুন: পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর কার্যক্রম বন্ধের দাবি রাশিয়ার
সব মিলে এক নতুন বাংলাদেশকে দেখছে বিশ্ব। শুধু দেখছেই না, উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে বাংলাদেশকে তুলে ধরা হচ্ছে বিভিন্ন দেশের কাছে।
তবে, এগিয়ে যাবার এই পথচলায় এখন রাজনৈতিক সদিচ্ছা আর স্থিতিশীলতাকেই মূল নিয়ামক বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
একাত্তর/আরবিএস