বছরের প্রথম দিনে ইউনিয়ন পর্যায়ে বিশেষ টিকা শুরু

বছরের প্রথম দিনেই ইউনিয়ন পর্যায়ে শুরু হলো বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন। সপ্তাহে দুইদিন করে মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইনে প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের। পাশাপাশি নিয়মিত কেন্দ্রে এবং ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম চলবে আগের মতোই। তবে ১২ বছরের নিচের শিক্ষার্থীদের টিকার ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগস্ট থেকে প্রায় প্রতিমাসেই বিশেষ ক্যাম্পেইনে লাখো মানুষকে টিকার আওতায় আনা গেছে। শুধু নিবন্ধিতরা নন, যারা অনলাইন নিবন্ধন করতে পারছেন না কিংবা জন্ম সনদ বা ভোটার আইডি কার্ডও নেই তারাও শর্ত সাপেক্ষে এবারের ক্যাম্পেইনে সুযোগ পাবেন টিকা নেবার। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব শামসুল হক বলেন, ইউনিয়নগুলোতে এক লাখ ১১ হাজারেরও বেশি ইপিআইয়ের নিয়মিত টিকা কেন্দ্রে সপ্তাহে দুইদিন করে মাসব্যাপী এই কার্যক্রমে তিন কোটি ৩২ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া যাবে। এর ফলে চলতি মাসের মধ্যেই ১৮ বছরের বেশি জনগোষ্ঠীর ৭০ ভাগ মানুষের প্রথম ডোজ টিকা নিশ্চিত করা যাবে।

তিনি আরও বলেন, ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থী প্রায় সোয়া এক কোটি। এদের মধ্যে ৩৬ লাখের বেশি শিক্ষার্থী টিকা পেয়েছেন। বাকিদেরও ১৫ জানুয়ারির মধ্যে টিকার আওতায় আনতে উপজেলা পর্যায়ে সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। তবে ১২ বছরের নিচের শিক্ষার্থীদের টিকার ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

আরও পড়ুন: সপ্তাহ ব্যবধানে বাংলাদেশে সংক্রমণ বেড়েছে ৪৪ গুণ

বিশেষ কার্যক্রমের পাশাপাশি হাসপাতালভিত্তিক কেন্দ্রগুলোতে আগের মতোই চলবে টিকা কার্যক্রম। নিবন্ধন করেও এসএমএস না পাওয়া ব্যক্তিরা নিয়মিত কেন্দ্রগুলোতে কার্ড দেখিয়েই টিকা নিতে পারবেন। তবে বুস্টার ডোজের জন্য অবশ্যই এসএমএস দেখাতে হবে।


একাত্তর/এসি