টিপ পরে সংহতি মার্কিন দূতাবাস নারীদের

কপালে টিপ পরায় রাজধানীতে এক পুলিশ সদস্যের হেনেস্তার শিকার হন লতা সমাদ্দার নামে এক কলেজশিক্ষক। এরপর থেকে ঘটনাটির সমালোচনা করে দেশব্যাপী প্রতিবাদ জানান বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাদের এই প্রতিবাদে সংহতি জানিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের নারী কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) দূতাবাসের নারীদের টিপ পরে সংহতি প্রকাশ করার বিষয়টি টুইট করে জানায় ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। 

টুইটে মার্কিন দূতাবাস জানায়, চলতি সপ্তাহে টিপ পরার জন্য একজন শিক্ষককের হয়রানির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সকল বাংলাদেশিদের সাথে সংহতি প্রকাশ করেছে মার্কিন দূতাবাস। টিপ পরে আমরা বাংলাদেশের বৈচিত্র্য উদযাপন করি এবং যারা হয়রানির সম্মুখীন হয়েছেন তাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করি।

গত শনিবার (২ এপ্রিল) ওই দিনের ঘটনার বিবরণ দিয়ে কলেজশিক্ষক লতা সমাদ্দার বলেন, ‘আমি হেঁটে কলেজের দিকে যাচ্ছিলাম। হুট করে পাশ থেকে মধ্যবয়সী, লম্বা দাড়িওয়ালা একজন ‘টিপ পরছোস কেন’ বলেই বাজে গালি দিলেন। তাকিয়ে দেখলাম তার গায়ে পুলিশের পোশাক। একটি মোটরবাইকের ওপর বসে আছেন। প্রথম থেকে শুরু করে তিনি যে গালি দিয়েছেন, তা মুখে আনা, এমনকি স্বামীর সঙ্গে বলতে গেলেও লজ্জা লাগবে। ঘুরে ওই ব্যক্তির মোটরবাইকের সামনে গিয়ে দাঁড়াই। তখনও তিনি গালি দিচ্ছেন। লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন। একসময় আমার পায়ের পাতার ওপর দিয়েই বাইক চালিয়ে চলে যান।’

আরও পড়ুন: রাজধানীতে চলন্ত মাইক্রোবাসে হঠাৎ আগুন

সোমবার (৪ এপ্রিল) সেই পুলিশ সদস্যকে শনাক্ত করা হয়। নাজমুল তারেক নামে সেই পুলিশ কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযোগকারী সাথে বাক বিতণ্ডায় লিপ্ত হওয়ার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করায় তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।


একাত্তর/এসি