মেট্রোরেলের স্টেশনের কারণে ফুটপাতে চলাচল বাধাগ্রস্ত হবে না। নতুনকরে জমি অধিগ্রহণ করায় কাজীপাড়া-শেওড়াপাড়া স্টেশনে ওঠানামার সিঁড়ি নিয়ে জটিলতারসমাধান হয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ থাইল্যান্ডের কূটনীতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উপলক্ষ্যেমেট্রোরেল পরিদর্শন শেষে কাজের মান নিয়ে সন্তুষ্টি জানান জানান থাই রাষ্ট্রদূত।
মেট্রোরেলের এমন চলাচল এখন আর স্বপ্ন নয়। উত্তরা থেকে মিরপুরবাসীরজন্য এটি এখন শুদু সময়ের ব্যাপার। চোখের সামনেই দেখা যাচ্ছে মেট্রোরেলে আকাবাকা উড়ালপথ।
আসছে ডিসেম্বরেই মেট্রোরেল ছুটবে সেই পথ ধরে। চূড়ান্ত চলাচলের জন্যদিয়াবাড়ি ডিপোর ভেতরে প্রস্তুত এখন বারো সেট ট্রেন।
যার প্রতিটিতে আছে ছয়টি করে বগি। পরীক্ষার অংশ হিসেবে প্রতিদিনই উত্তরাথেকে মীরপুর পর্যন্ত চলছে ট্রেনগুলো। যা দেখে মনে মনে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন রাজধানীবাসী।
তবে, বৃহস্পতিবারের উদ্দেশ্যটা ছিলো ভিন্ন। মেট্রোরেল নির্মান প্রকল্পেরঅন্যতম সহযোগী দেশ থাইল্যন্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনীতিক সম্পর্কের সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপন।
দেশটির রাষ্ট্রদূত মাকাওয়াদি সুমিতমোর দেখতে যান মেট্রোরেলের উত্তরাস্টেশন। তার সম্মানেই এই স্টেশনে কিছুক্ষণের বিরতি পায় ট্রায়েল রান। কোচের ভেতর ঘুরেদেখেন রাষ্ট্রদূত।
থাই রাষ্ট্রদুত মাকাওয়াদি সুমিতমোর জানান, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেইনিশ্চিত করা হয়েছে এই প্রকল্পের কাজ। যা ঢাকার যানজট কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, এ বছর বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তি হচ্ছে। এ উপলক্ষে ঢাকার থাই দূতাবাস বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।
একই সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্পেও সহায়তা দিচ্ছে থাইল্যান্ড।মেট্রোরেল প্রকল্পে থাইল্যান্ডেরও গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন দেশটিরদূত।
তিনি জানান, এটি ব্যাংককের মেট্রো রেলের মতো আধুনিক হবে। ব্যাংককের মেট্রোর সঙ্গে ঢাকা মেট্রোর মধ্যে কোন পার্থক্যওদেখতে পাননি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় প্রকল্পের অতিরিক্ত পরিচালক আব্দুল বাকী মিয়া বলেন, নতুন করেজমি অধিগ্রহন করা হয়েছে। তাই মেট্রোরেলের কারনে ফুটপাতে প্রতিবন্ধকতার কোন সুযোগ থাকছেনা। পাশাপাশি মতিঝিল থেকে কমলাপুরের বর্ধিতাংশের কাজ দ্রুত শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
এ বছরের শেষ নাগাদ উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত এবং আগামী বছরের ডিসেম্বরেরমধ্যে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল জনসাধারণের জন্য খুলে দেয়ার কথা রয়েছে।
একাত্তর/এসএ