সিডিউল বিপর্যয়ের ভোগান্তি নিয়ে ঈদ শেষে রেলপথে ঢাকায় ফিরছেন মানুষ। তাদের অভিযোগ, অনলাইন আর কাউন্টারে ফিরতি টিকেট সহজে মিলছে না।
ফলে কালোবাজারিদের কাছ থেকে বেশি দামে টিকেট কিনতে হচ্ছে। অবশ্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের দাবি, ভোগান্তিহীনভাবে এবারের ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকেট পেয়েছেন মানুষ।
শনিবার সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, তিল ধারণের ঠাঁই নেই জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি কমিউটার ট্রেনে।
আসনে যত যাত্রী আছেন, দাঁড়িয়ে তার চাইতে দ্বিগুণ। ছাদে যাত্রী তারও বেশি। ট্রেনটি নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা পর যাত্রী নিয়ে পৌঁছায় কমলাপুর।
যাত্রীদের আভিযোগ, সিডিউল বিপর্যয় থেকে কোনভাবেই বের হতে পারছে না রেলওয়ে। ফলে ঈদ শেষে ঢাকায় ফেরা মানুষকে বেশি ভোগান্তিতে ফেলছে ট্রেনযাত্রা।
শনিবার বিভিন্ন গন্তব্য থেকে কমলাপুরে আসা সব ট্রেনের যাত্রীদের অভিযোগ নির্ধারিত সময়ের তিন থেকে চার ঘণ্টা পর ঢাকায় পৌঁছেছে ট্রেন।
সেই সাথে অনলাইন এবং কাউন্টারে টিকেট না পেয়ে, বাধ্য হয়ে কিনতে হচ্ছে ব্লাকমার্কেট থেকে। এতে গুণতে হয়েছে দুই থেকে তিন গুণ ভাড়া।
কর্তৃপক্ষ অবশ্য বলছে, টিকেট কালোবাজারির বিষয়টি তারা জানেন। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। আর ঈদের সময় সিডিউল বিপর্যয়ও স্বাভাবিক।
আরও পড়ুন: কর্মস্থলে ফিরতি পথে ঘাটে যাত্রী চাপে জট ও ভোগান্তি
তবে, এখনও ঢাকা ছাড়ছেন অনেক মানুষ। মূলত যারা ছুটিতে ঢাকায় এসেছিলেন তারাই আবার ফিরে যাচ্ছেন নিজ নিজ কর্মস্থলে। তাদের পড়তে হয়ে সিডিউল বিপর্যয়ে।
সব মিলিয়ে ঈদযাত্রায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রেলওয়ে যাত্রীদের অনেকটা স্বস্তিতে বহন করলেও শেষ দিনে এসে অতিরিক্ত চাপে সব ব্যবস্থাই ভেঙ্গে পড়েছে।
একাত্তর/এসি