প্রথমে করোনাকে প্রাপ্তবয়স্কদের ব্যাধি মনে করা হলেও ক্রমেই এই মহামারীতে শিশুদের আক্রান্ত হবার হার বেড়েছে। তাই শিশুদেরও করোনা টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। শুরুতে ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের টিকার আওতায় আনা হলেও আগামী ২৫ আগস্ট তারিখ শুরু হবে পাঁচ থেকে ১১ বছর বয়সীদের টিকা দেওয়া হবে। তাদের দেওয়া হবে ছোটদের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি ফাইজারের টিকা।
কিন্তু পাঁচ থেকে ১১ বছর বয়সী কত শিশু স্কুলে যায় না তার সঠিক হিসাব নেই সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর কাছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, স্কুলে যায় বা যায় না এমন পাঁচ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের সংখ্যা ধরা হয়েছে দুই কোটি ২০ লাখ। আপাতত এই সংখ্যক শিশুই পাবে করোনা টিকা।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেছেন, পাঁচ থেকে ১১ বছরের সব শিশু স্কুলে যায় না। সেক্ষেত্রে অনেক শিশুই টিকার আওতার বাইরে থেকে যাবে। তাই সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি বা ইপিআইয়ের হিসেবে স্কুল পড়ুয়া ও স্কুলে যায় না এমন দুই কোটি ২০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। প্রথমে দেওয়া হবে সিটি কর্পোরেশন, পরে জেলা পর্যায়ে।
আরও পড়ুন: মিরসরাইয়ে ট্রেন দুর্ঘটনা: দোষ গেটম্যান ও মাইক্রোচালকের!
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশিদ আলম বলেন, ভাসমান শিশুদের সঠিক পরিসংখ্যান কারো কাছে নেই। তাই অনেক শিশুই টিকার আওতার বাইরে থাকতে পারে।
তিনি জানান, শিশুদের জন্য এপর্যন্ত টিকা এসেছে ৩০ লাখ। দুই ডোজ হিসেবে দরকার হবে মোট চার কোটি ৪০ লাখ টিকা।
একাত্তর/এসি