বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতের কারণে ঘোষণা ছাড়াই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়ক বন্ধ করায় ভোগান্তিতে পড়েছে বিদেশগামী ও অফিসগামী মানুষ।
বিমান ধরতে বেশিরভাগ যাত্রীকেই দীর্ঘ পথ পায়ে হেটে বিমানবন্দরে যেতে হয়েছে। এদিকে মোনাজাত শেষে সড়কে বাড়ি ফেরা মুসল্লিদের ঢল নামে।
গণপরিবহন না পেয়ে লাখ লাখ মুসল্লি পায়ে হেটেই গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা করেন। ট্রেনেও ছিলো উপচে পড়া ভিড়। তবে সব ভোগান্তিই মাথা পেতে মেনে নিয়েছেন মুসল্লিরা।
রোববার (১৫ জানুয়ারি) সকালে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত শেষে মানুষের ঢল নামে টঙ্গী থেকে শুরু করে বিমানবন্দর সড়কে। পায়ে হাঁটা মানুষের চাপে থমকে যায় সড়কের যান চলাচল।
বাস ট্রাক পিকআপ যে যা পেয়েছে তাতেই গন্তব্যের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়। টঙ্গী থেকে খিলক্ষেত পর্যন্ত মোনাজাত শেষ হওয়ার পরের তিন ঘন্টা এমনই ছিলো পরিস্থিতি।
দীর্ঘ পথের এই যাত্রাকে ইবাদতের অংশ হিসেবেই মানছেন মুসল্লিরা। টঙ্গী থেকে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি ট্রেনেও ছিলো উপচে পড়া ভিড়। ট্রেনের ছাদেও ছিলো না তিল ধারনের ঠাঁই।
তবে, সকাল থেকেই ভোগান্তিতে ছিলো বিদেশগামী যাত্রী আর অফিসগামীরা। ফার্মগেট থেকে বিজয় স্মরণীমুখী সড়ক আর মহাখালী ফ্লাইওভারের একপাশ বন্ধ করা দেয় পুলিশ।
ঘোষণা ছাড়াই বিমানবন্দর সড়কের রেডিসন হোটেলের সামনে বিদেশগামী ছাড়া সব গাড়ি আটকে দেয়া হয়।
বিমানের টিকেট নিয়ে পুলিশের কাছে পৌঁছাতে পারলেও বেশিরভাগ গাড়ি আটকা পড়ে যায় দীর্ঘ জটের পেছনে। যাতে অনেকে বিমান ধরতে না পাড়ার ঝুঁকিতে পড়েন।
আরও পড়ুন: বিশ্ব ইজতেমা: আখেরি মোনাজাতে শেষ হলো প্রথম পর্ব
উপায় না পেয়ে কেউ পায়ে হেঁটে, কেউ আবার রিকশা-সিএনজি ও মোটরসাইকেলে বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
তবে, অফিসগামীদের গাড়ি যেতে না দেয়ায় দ্বিতীয় পর্বের মোনাজাতের দিন সাধারণ ছুটি দাবি জানিয়েছেন উত্তরা-টঙ্গী এলাকার চাকরিজীবিরা।
একাত্তর/এসি