কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে অস্বাভাবিক হচ্ছে দ্রব্যমূল্য

রোজার ঈদ পর্যন্ত দাম মোটামুটি স্বাভাবিক থাকলেও, কোরবানি ঈদ সামনে রেখে অস্বাভাবিক হচ্ছে পেঁয়াজ-রসুন-আদা আর আলুর বাজার। 

হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ! ২০/২২ টাকা কেজি’র আলুও এখন ৩৫! সাথে, গেলো এক সপ্তাহে আদা-রসুনের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫০ টাকা পর্যন্ত। 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ডলার সংকোট আর এলসি জটিলতারই প্রভাব পড়ছে, পেঁয়াজ-রসুন আর আদার বাজারে।  অস্থির হচ্ছে পেঁয়াজ-রসুন-আদা আর আলুর বাজার। মাস খানেকের ব্যবধানে এই চার পণ্যের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ পর্যন্ত। 

পেঁয়াজের দাম বেড়েছে মূলত কৃষক পর্যায় থেকেই। ১২শ’ টাকা মণের পেঁয়াজ হাটে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৮শ’ থেকে ১৯শ’ টাকায়। এই পেঁয়াজ রাজধানীর শ্যাম বাজারে বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকা মণে। অর্থাৎ ৫০ টাকা কেজি। হাত বদলে যেটি খুঁচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়।

পেঁয়াজের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আদা-রসুনের দাম। কেরালা থেকে আদা আসছে না বিধায়, চাহিদা মিটছে মিয়ানমার আর ভিয়েতনামের আদায়। আদার দামও বেড়েছে এক সপ্তাহে পাইকারিতে ৫০ টাকা। বিক্রি হচ্ছে ২শ’ টাকা কেজি। 

রোজায় যে চায়না রসুনের কেজি ছিলো ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকা। সেটি এখন পাইকারীতেই বিক্রি হচ্ছে ১৩৮ টাকা কেজিতে। দেশি রসুনও বিক্রি হচ্ছে পাইকারীতে ১শ’ ১০ থেকে দেড়শ’ টাকায়। 

এদিকে, চাহিদার পুরোটাই মিটে যে দেশি আলুতে, তার দামও এখন বেশি। পাইকারিতেই আলু এখন বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা কেজি। খুঁচরায় বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকা কেজি। 

শুধু পেঁয়াজ-রসুন-আদা-আলুই নয়, টিসিবির তথ্য বলছে, গেলো এক সপ্তাহে দাম বেড়েছে, বিভিন্ন প্রকার মশলার। 


একাত্তর/এআর