ঈদের আগেরদিন সকালেও রেলপথে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় ছিলো। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে উত্তরবঙ্গগামী দুটি ট্রেন সময়মতো ছাড়তে পারেনি। ভিড়ের কারণে টিকেট কেটেও সিট পর্যন্ত পৌঁছতে পারেননি অনেকে। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাকি ট্রেনগুলো ছেড়ে গেছে সময় মেনে।
ঝুম বৃষ্টির কবলে রাজধানী। কিন্তু তাতে থেমে নেই ঈদযাত্রা। বৃষ্টি মাথায় নিয়েই ট্রেন ধরতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে এসেছেন যাত্রীরা।
রংপুরের নীলসাগর আর রাজশাহীর ধূমকেতু এক্সপ্রেসে ছিলো সর্বোচ্চ ভিড়। স্ট্যান্ডিং টিকেটের যাত্রীদের চাপে অগ্রিম টিকেট কাটা অনেকেই সিট খুঁজে পাননি। যাত্রী চাপের কারণে দুটি ট্রেন প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা দেরিতে ছেড়ে যায়।
যাত্রীরা জানান, তারা ভিড় ঠেলে বেশ কষ্ট করে ট্রেনে উঠেছেন। ছিট খুঁজে পাননি বলেও অভিযোগ করেন অনেকে।
তবে বাকি সব ট্রেন ছেড়ে গেছে ঠিক সময় মেনে। সড়কের যানজট এড়িয়ে বড় স্বস্তি রেল। তাই ট্রেনে কোনভাবে চড়ে বসতে পারলে সময়মত বাড়ি পৌঁছানোটা নিশ্চিত প্রায়।
উত্তরবঙ্গগামী কিছু ট্রেন ছাড়া ছাদে যাত্রী ওঠা কিংবা শিডিউল বিপর্যয়ের কোনো অভিযোগ ছিলো না। কর্তৃপক্ষ বলছে, শেষ দুইদিনের ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে তাদের।
বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শাহ আলম কিরণ শিশির বলেন, ২৫ শতাংশ যাত্রী স্টান্ডিং টিকেট কেটেছে। আমরা যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে সব ধরনের চেষ্টা করেছি।
আরও পড়ুন: বৃষ্টিতে খানিক ভোগান্তি হলেও স্বস্তিতে ঘরে ফিরছে মানুষ
ঈদের দিন অন্যান্য পথের ট্রেন বন্ধ থাকলেও, ভৈরব থেকে কিশোরগঞ্জ এবং ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জ চলবে শোলাকিয়া স্পেশালের দুই জোড়া বিশেষ ট্রেন।
একাত্তর/আরএ