দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আসার খবরে খানিকটা প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাজারে। এরপরও রাজধানীর প্রায় সব বাজারেই কাঁচা মরিচের কেজি এখনও ৬০০ টাকা।
আর অভিজাত এলাকায় তা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার ঘরে। আর বিক্রেতারা বলছেন, রেকর্ড দামের কারণে কাঁচা মরিচের বিক্রিও অনেক কমে গেছে।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে টাউন হল বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা কেজি। অর্থাৎ ১০০ গ্রাম কাঁচা মরিচের দাম পড়ে ৬০ টাকা।
১০০ গ্রামের হিসেবটা এই কারণে যে, একবারে এর চেয়ে বেশি কাঁচা মরিচ এখন বেশিরভাগ ক্রেতাই কিনছেন না। খুব বেশি হলে ২০০ গ্রাম কিনছেন কেউ কেউ।
এই বাজার থেকে ১০০ গ্রাম কাঁচা মরিচ ৬০ টাকাতে কিনে গুণে দেখা গেলো ৭১টি। অর্থাৎ প্রতি কাঁচা মরিচের দাম এখনে ৮৫ পয়সা। মরিচ একটু পুষ্ট হলে সংখ্যাও কম হচ্ছে।
তখন দাম পড়ছে প্রতিটি এক টাকারও বেশি। রাজধানীর সব বাজারে কাঁচা মরিচের কেজি কিন্তু ৬০০ টাকা না। অভিজাত এলাকায় কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়।
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আসার খবরে পাইকারি বাজারে খানিকটা প্রভাব পড়েছে। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৪০০ টাকা।
আবার এখানেই খুঁচরায় কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি। তবে আশার কথা হলো, শনিবার রাজশাহীর মোকামগুলোতে যে কাঁচা মরিচের কেজি বিক্রি হয়েছে ৪৫০ টাকায়; রোববার সেটি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি।
এক দিনের ব্যবধানে রংপুর ও বগুড়ার মোকামেও কাঁচা মরিচের কেজিপ্রতি দর কমেছে ১০০ টাকা। বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা কেজি। ফলে রাজধানীতে কমে আসবে দাম।
ভারত থেকে আমদানির খবরে ফরিদপুরে অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে কাঁচা মরিচের দাম। খুচরা দরে ৮০০ টাকা কেজির কাঁচা মরিচ এক দিনের ব্যবধানে কমে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ঈদের ছুটির পরে রোববার সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৫৫ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ ভারত থেকে দেশে এসেছে। রাতে আরও কাঁচা মরিচ আসবে।
একাত্তর/আরবিএস