করোনায় চব্বিশ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ আট হাজার ৮২২ জন নতুন করে শনাক্ত হয়েছে। এসময় মৃত্যু হয়েছে ১১৫ জনের, যা এযাতকালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু।
বুধবার (৩০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গত ২৮ জুন দেশে করোনাভাইরাসে সর্বোচ্চ শনাক্ত হন আট হাজার ৩৬৪ জন। এই নিয়ে দেশে দ্বিতীয়বারের মতো দৈনিক শনাক্ত আট হাজার ছাড়ালো।
এদিকে দেশে দৈনিক শত মৃত্যুর প্রথম ঘটনা ঘটে এ বছরের এপ্রিলে। গত ১৭ এপ্রিল দেশে প্রথম ১০১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। আজ দশমবারের মতো মৃত্যু শতকের ঘর ছাড়ালো।
এদিকে, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে অ্যান্টিজেনসহ মোট ৩৫ হাজার ১০৫টি নমুনা পরীক্ষা হয়। পরীক্ষা বিবেচনায় এসময় দৈনিক শনাক্তের হার ২৫.১৩।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৯ লাখ ১৩ হাজার ২৫৮ জন। সার্বিক শনাক্তের হার ১৩.৮২।
এছাড়া, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪ হাজার ৫৫০ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ১৬ হাজার ২৫০ জন। শনাক্তের বিপরীতে সুস্থতার হার ৮৯.৩৮।
মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে বুধবার সকাল আটটা পর্যন্ত মৃতদের মধ্যে ৭২ জন পুরুষ ও ৪৩ জন নারী রয়েছেন। বয়স বিবেচনায় মৃতদের মধ্যে ২১-৩০ বছরের ৪ জন, ৩১-৪০ বছরের ১২ জন, ৪১-৫০ বছরের ১৭ জন, ৫১-৬০ বছরের ২৫ জন এবং ষাটোর্ধ ৫৭ জন রয়েছেন।
বিভাগ বিবেচনায় এদিন ঢাকা বিভাগের ১৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৩ জন, খুলনায় ৩০ জন, বরিশালে দুইজন, সিলেটে ৩, রংপুরে ১১ এবং ময়মনসিংহ বিভাগের ৬ জন রয়েছেন।
মৃতদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৮৭ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ১৯ জন এবং বাসায় নয় জন মারা গেছেন।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছর ৮ মার্চ; তা আট লাখ পেরিয়ে যায় এবছরের ৩১ মে। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যে গত ৭ এপ্রিল রেকর্ড সাত হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।
প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর, গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বর্তমানে তা সাড়ে ১৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেয়। পরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
একাত্তর/আরএইচ