রাজধানীর কোরবানীর পশু বর্জ্য অপসারণে এবার ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের সাড়ে ২১ হাজার কর্মী মাঠে রয়েছেন। তারা পূর্বঘোষিত সময়ের আগেই কোরবানীর বর্জ্য অপসারণ শুরু করেছে। নগরীর অনেক জায়গায় কোরবানীর পরপরই বর্জ্য সরিয়ে নিচ্ছেন এসব পরিচ্ছন্নতা-কর্মীরা।
বুধবার (২১ জুলাই) রাজধানীর ফার্মগেট, গুলশান, মিরপুর, গুলিস্তানসহ বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কোরবানীর কাজ শেষ করার পরপরই পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে অলিগলি।
দক্ষিণ সিটির (ডিএসসিসি) জনসংযোগ কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়, বেলা দুইটায় একযোগে ৭০টি ওয়ার্ড থেকে বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে।
ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. বদরুল আমিন বলেন, আমরা গতকাল রাত থেকেই কোরবানীর হাটের বর্জ্য অপসারণ করার কাজ শুরু করেছি। সকাল থেকে আমাদের সব কর্মী মাঠে নেমে গেছে।
এদিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের বরাত দিয়ে ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের জানান, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানীর পশুর হাটের বর্জ্য এবং বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা হতে শনিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকা ও পশুর হাটগুলোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরেজমিন মাঠ পর্যায়ে তদারকির জন্য ১০টি টিম গঠন করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে এই টিমগুলো গঠন করা হয়েছে।
অপরদিকে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল বাশার মো. তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, কর্পোরেশনের ৫৪টি ওয়ার্ডে দুই লাখেরও বেশি পশু কোরবানী হয়েছে। পশু কোরবানীর জন্য ৩০৭টি স্থানের ব্যবস্থা করেছে উত্তর সিটি। এসবস্থানে কোরবানীর জন্য সর্বমোট ২৫০ জন ইমাম ও ২৫০ জন মাংস প্রস্তুতকারীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
উত্তর সিটির জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, কোরবানীর বর্জ্য অপসারণে ডিএনসিসির নিজস্ব দুই হাজার ৬৬৭ জন এবং অন্যান্য বেসরকারি ব্যবস্থাপনাসহ মোট ১১ হাজার ৫০৮ জন কর্মী নিয়োজিত রয়েছে।
আরও পড়ুন: করোনা থেকে মুক্তির মোনাজাত ঈদ জামাতে
বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম তদারকির জন্য দুটি অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করেছে ডিএনসিসি। ডিএনসিসির বাসিন্দারা বর্জ্য–সম্পর্কিত যে কোনো তথ্য ০২-৫৮৮১৪২২০, ০৯৬০-২২২২ ৩৩৩, ০৯৬০-২২২২ ৩৩৪ নম্বরগুলোতে ফোন করে জানাতে পারবেন।
একাত্তর/আরএ