কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার উত্তর খোশবাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা নাজমুল হাসান সর্দারের বিরুদ্ধে কারাগারে থেকে মামলার বাদীকে হুমকির অভিযোগ উঠেছে। বাদি ও পাওনাদারদের অভিযোগ, অসুস্থতার অজুহাতে কারা হাসপাতালে থেকে তিনি নিজের বাহিনী ও পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে এই হুমকি দিচ্ছেন।
মামলার বাদি খোশবাস চৌধুরী বাড়ির শাখাওয়াত হোসেন শিপন জানান, তিনি চেয়ারম্যান নাজমুল হাসান সর্দারের ইটভাটা থেকে দাদনের ভিত্তিতে ইট ক্রয়ের চুক্তি করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে নির্ধারিত ইট সরবরাহ করা হয়নি এবং তার অর্থও ফেরত দেওয়া হয়নি। এই ঘটনায় পাওনা টাকা উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে ২০২৫ সালে বরুড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তিনি।
শিপন অভিযোগ করেন, গ্রেপ্তারের পর নাজমুল প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন। মামলা না তুললে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি শুধু আমার ন্যায্য পাওনা টাকা ফেরত চাই।
ভুক্তভোগীদের দাবি, নাজমুল হাসান সর্দার বর্তমানে কারাবন্দী থাকলেও প্রভাবশালী হওয়ার সুবাদে জেল হাসপাতালের সুবিধা নিয়ে বাইরে নিজের অনুসারীদের দিয়ে মামলার বাদি ও দাদনের টাকা বিনিয়োগকারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।
এ বিষয়ে বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, একটি মামলার প্রেক্ষিতে নাজমুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরও একাধিক ব্যক্তির পাওনা টাকা নিয়ে অভিযোগ রয়েছে।
ওসি বলেন, আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। হুমকির বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দাখিল করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।