বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোট ছেড়েছে অন্যতম শরিক খেলাফত মজলিস।
শুক্রবার (১ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় পুরানা পল্টনের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে দলটির পক্ষ থেকে জোট ছাড়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
দলটির দায়িত্বশীল একাধিক নেতা বলেছেন, তারা ২০-দলীয় জোটের প্রধান শরিক দল বিএনপির কার্যকলাপে হতাশ। দীর্ঘদিন ধরে জোট নিষ্ক্রিয়। বিশেষ করে, ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনের পূর্বাপর রাজনৈতিক কর্মপন্থা নির্ধারণে ২০-দলের শরিকেরা গুরুত্ব হারায়। তা ছাড়া বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের সাম্প্রতিক কার্যক্রমে তাদের মনে হয়েছে, তারা জোটে থাকা ইসলামি দলগুলোর ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহী নন।
সর্বশেষ হেফাজতের ঘটনায় দলটির মহাসচিব অধ্যাপক আহমদ আবদুল কাদের গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তাই খেলাফত মজলিসের জোট ত্যাগ করার পেছনে রাজনৈতিক কারণই প্রধান।
উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে এক জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে তৎকালীন শায়খুল হাদিস মাওলানা আজিজুল হকের নেতৃত্বাধীন খেলাফত আন্দোলন ও আহমদ আবদুল কাদেরের নেতৃত্বাধীন যুব শিবির মওলানা ভাসানীর ন্যাপের একাংশের নেতা, তমদ্দুন মজলিসের সংগঠক ভাষা-সৈনিক অধ্যক্ষ মসউদ খান এর নেতৃত্বে একীভূত হয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আত্মপ্রকাশ করে।
আরও পড়ুন: পদ্মা ও যমুনায় টানেল নির্মাণের খবর দিলেন কাদের
দলটি ৯০’র স্বৈরাচার পতন আন্দোলন, ভারতের বাবরী মসজিদ ধ্বংসের প্রতিবাদ ও বাবরী মসজিদ পুনঃ নির্মাণের দাবিতে বাবরী মসজিদ লং মার্চ, ৯৪ সালের নাস্তিক-মুরতাদ তাসলিমা নাসরিন বিরোধী আন্দোলন, ২০০০-২০০১ সালে গণ-বিরোধী, শেখ হাসিনা সরকার বিরোধী ৪ দলীয় জোটের আন্দোলন, ১/১১ পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলনে অংশ নিয়েছে।
একাত্তর/আরএ