রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে লিভার, কিডনি, ফুসফুস রক্তসহ কমপক্ষে ১১ ধরনের পরীক্ষা করানো হয়েছে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এসব পরীক্ষার ফল পাবার পর নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি ঠিক করা হবে। তবে সম্পূর্ণ সুস্থ করতে হলে তাকে বিদেশে নেয়ার বিকল্প নাই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
করোনা জটিলতা নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিন দফায় ১৫৯ দিন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে গত পহেলা ফেব্রুয়ারি গুলশানের বাসায় ফেরেন।
এর ঠিক দুই মাস ছয় দিন পর তার বেশ কিছু শারীরিক জটিলতা তৈরি হলে, বুধবার বিকেলে একই হাসপাতালে নেয়া হয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য।
বিকেল সোয়া চারটার দিকে গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা করেন তিনি।
পাঁচটার দিকে হাসপাতালে পৌঁছান। স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে হাসপাতাল থেকে আবার বাসার দিকে রওনা করেন।
খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জেড এম জাহিদ জানান, পরীক্ষাগুলোর রিপোর্ট পাবার পর, নতুন করে চিকিৎসা পদ্ধতি ঠিক করবেন মেডিক্যাল বোর্ড।
তিনি বলেন, উনি অসুস্থ। উনার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। উনি নিজেও দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এরপর মেডিক্যাল বোর্ড দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেবে।
৭৭ বছর বয়সী বেগম জিয়া লিভার সিরোসিস, কিডনি, ফুসফুস, আথ্রাইটিসসহ বেশ কিছু জটিল রোগে ভুগছেন। তাকে চিকিৎসা দেবার মতো উন্নত যন্ত্রপাতি দেশে নাই। তাই বিদেশে চিকিৎসা ছাড়া তাকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলা সম্ভব নয় বলে জানান তার চিকিৎসকরা।
করোনা শুরু পর বিদেশে যেতে পারবেন না এমন শর্তে, সরকারের নির্বাহী আদেশে গুলশানের ভাড়া বাসায় আছেন খালেদা জিয়া।