কারো ভেংচি দেখে আওয়ামী লীগ ভয় পায় না: হানিফ

বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, আপনারা (বিএনপি) বহু কষ্টে ৩০ শতাংশ লোককে বিদ্যুৎ দিতে পেরেছেন। তাও ২০ ঘণ্টা লোডশেডিং থাকতো। মাথার ওপর বাতি জ্বলছে, তবুও হাতে হারিকেন নিয়ে আপনারা বলছেন বিদ্যুৎ চাই!

শনিবার (২৯ অক্টোবর) কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

এর আগে মঞ্চে উঠে মিছিলে সমবেত কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা বলছো ‌‘লোটাস কামাল ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’। এ শ্লোগান আর কখনও দেবে না। কারও ভেংচি দেখে আওয়ামী লীগ ভয় পায় না। মুস্তফা কামালও ভয় পাওয়া লোক না। 

হানিফ বলেন, আমরা শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ দিয়েছি। সারা দুনিয়ার বিপর্যস্ত অবস্থা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারাবিশ্বে মন্দা। সারা বিশ্বে মানুষ জ্বালানি সঙ্কটে কষ্ট পাচ্ছে।  

অপরদিকে ভাঙা রেকর্ডের মতো সকাল-বিকাল মির্জা ফখরুলরা বলে যাচ্ছেন- দেশে দুর্ভিক্ষ লেগে গেছে, সব শেষ হয়ে গেছে। তারা আমাদের অর্জন চোখে দেখে না। 

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে হানিফ বলেন, দুই একটা সমাবেশ করে আপনারা মনে করছেন খেলা মনে হয় জমে গেছে। বাংলার মানুষ দুর্নীতিবাজ খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে ক্ষমতায় আনবে না। আপনারা পাকিস্তানকে লালন করেন, সেখানেই ফিরে যান। 

সদর দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম সারোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক মুজিব। 

অনুষ্ঠান উদ্বোধন ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামাল।


বক্তব্যে মুস্তফা কামাল বলেন, বিশ্বের অনেক রাষ্ট্রের চেয়ে আমরা অনেক ভালো আছি। ইনশাআল্লাহ, বিপদ কেটে যাবে। আমাদের ফরেন রিজার্ভ সাত বিলিয়ন ছিল। এখন রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন। জাতীয় রাজস্ব ছয়গুণ বৃদ্ধি করেছি। আমরা কখনও পিছু ফিরে যাবো না।

আরও পড়ুন: সরকার রিজার্ভের টাকা দিয়ে ফুর্তি করছে: জিএম কাদের

সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান বাবলুসহ জেলা আওয়ামী লী‌গের নেতৃবৃন্দ। 

সম্মেলনে গোলাম সারোয়ারকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আবদুর রহিমকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন সংসদ সদস্য মুজিবুল হক।


একাত্তর/এসি