বেশি নয়, আওয়ামী লীগ গণমাধ্যমের কাছে প্রাপ্য কভারেজ চায়: কাদের

বেশি নয় আওয়ামী লীগ গণমাধ্যমের কাছে প্রাপ্য কভারেজ চায় বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (১১ নভেম্বর) গণমাধ্যমের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে একথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের আয়োজিত সভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, একটা সময়ে গণমাধ্যমে বঙ্গবন্ধু ছিলেন নিষিদ্ধ। যে ভাষণে একটি জাতি মুক্তিযুদ্ধে উজ্জীবিত হয়েছিল সে ভাষণ ছিলো নিষিদ্ধ। ২১ আগস্টের হামলায় শেখ হাসিনা ছিলেন প্রধান লক্ষ্য, তারপরেও তিনি শোকাতুর মাকে সান্ত্বনা জানাতে গিয়েছিলেন। আমরা বিভেদের বাংলাদেশ করতে চাই না।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, বাংলাভাই কাদের সৃষ্টি? আমদের ভুল আছে, আমরা অভ্রান্ত নই, কৌশলগত কারণে নানা জোট করতে হয়। পুরোপুরি একঘরে হয়ে থাকা যায় না। ভুলত্রুটি থাকতে পারে কিন্তু নির্বাচনের আইন আছে, কমিশন আছে। আমারা ভুল করেনি বলছি না। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে সাংবাদিকদের পাশে থেকেছি।

তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হঠাৎ করেই মামলা করা যায় না। মানুষ কষ্টে আছে, তাদের বাঁচাতে হবে, বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রী কাজ করে যাচ্ছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে গেছে, সেসব দেশে মানুষ কার্যকর ভূমিকা চায়, সরকার পরিবর্তন চায় না। আমরা আপনাদের কাছে সঠিক জিনিসটা চাই। আমরা চাই আলোকে আলো আর অন্ধকারকে অন্ধকার বলুন। নেত্রীর স্পষ্ট নির্দেশনা বিএনপিকে সমাবেশ করতে দিতে হবে। আমরা কাউকে দেখাতে পাল্টা সমাবেশ করছি না। এটা পাল্টাপাল্টি না। হয়তো তাদের সাথে মিলে যাচ্ছে। যাদের দলে গণতন্ত্র নাই তারা দেশে গণতন্ত্র কীভাবে আনবে। বিএনপি কেন ৭ ধারা বাতিল করলো।

তিনি আরো বলেন, ফখরুল সাহেবের কাছে জিজ্ঞাসা শেষ সম্মেলন কবে হয়েছিল। এর মাঝে আমাদের দুটো হয়েছে, আরো একটি হবে। ওরা কী গণতান্ত্রিক আন্দোলন করবে। গণতন্ত্র তো চর্চার বিষয়। তারা দেয়াল তৈরি করেছে, সেতু তৈরি করেনি। শেখ হাসিনার মূল এজেন্ডা জনগণকে বাঁচানো।

আরও পড়ুন: সরকার কাপুরুষের মতো মিথ্যা-গায়েবি মামলা দিচ্ছে: ফখরুল

কাদের বলেন, একটা দল নির্বাচন করবে, জনগণকে কী দেখাবে তারা। অথচ দেশে পদ্মা সেতু হয়েছে, কর্ণফুলী টানেল হয়ে যাবে। বিআরটির কাজ মার্চে শেষ হবে। ঠিকাদারের ভুলে দুর্ঘটনা হয়েছে।

প্রাপ্য কভারেজ চাই, বেশি চাই না। বিরোধীদল থাকতে হবে, গণতন্ত্র এক চাকার সাইকেল না।


একাত্তর/আরএ