বিএনপির সন্ত্রাস ও সহিংস রাজনীতির প্রতিবাদে পাঁচ দিনের কর্মসূচি দিয়েছে যুবলীগ। ১৭ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ২১ ফেব্রুয়ারি ছাড়া পাঁচ দিন কর্মসূচি পালন করবে সংগঠনটি। পদযাত্রা কর্মসূচিতে বিভিন্ন স্থানে বিএনপি সহিংস রাজনীতি, অস্ত্রের মহড়া, জনগণ ও পুলিশের ওপর হামলা করেছে বলে দাবি করে এক প্রতিবাদ সমাবেশ করে যুবলীগ।
বুধবার বিকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে এই সমাবেশ থেকে পাঁচ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ।
তিনি বলেন, বিএনপি জানে, সঠিক নির্বাচন হলে ১৫১ সিট তারা পাবে না। তাই তারা লাশের রাজনীতি করে নির্বাচন বানচাল করতে চাইছে।
তিনি আরও বলেন, তারেক জিয়া চাচ্ছেন, বাংলাদেশে যাতে নির্বাচনটা না হয়। কারণ, তিনি অর্থ পাচার ও ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় সাজাপ্রাপ্ত। ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা তার বিরুদ্ধে চলছে।
পরশ বলেন, নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনেই হবে। ইসির পরিচালনায় অবাধ, নিরপেক্ষ এবং যথাযথ পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে। কোনও বিদেশি প্রভুদের প্রেসক্রিপশনে নির্বাচন হবে না।
যুবলীগের চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপির পদযাত্রায় কোনও জনসম্পৃক্ততা নেই। কারণ, তাদের অত্যাচারের কথা জনগণ ভুলে নাই। ২০১৪ সালের আগুন সন্ত্রাসের কথা জনগণ ভুলে নাই।
পরে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতেও কর্মসূচির তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকাল তিনটায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ।
একই দিন বিকেল চারটায় ফার্মগেটে যুবলীগ চত্বরে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর ১৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার ঢাকা মহানগর ছাড়া দেশের সব বিভাগে প্রতিবাদ সভা হবে। ১৯ ফেব্রুয়ারি উপজেলা, থানা ও পৌরসভায় প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
২০ ফেব্রুয়ারি সোমবার দেশের প্রতিটি জেলায় প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ২১ ফেব্রুয়ারি কোনো কর্মসূচি নেই। এদিন অমর একুশে পালন করবে যুবলীগ।
২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগরের জাতীয় সংসদের আসনভিত্তিক এবং দেশের সব মহানগরের প্রতিটি থানায় প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীতে কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। আর পরদিন ১৮ ফেব্রুয়ারি বিভাগীয় কর্মসূচি রয়েছে দলটির।