সরকার নির্বাচন নিয়ে আগের খেলায় মেতেছে: ফখরুল

আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে সরকার আবারও আগের খেলায় মেতে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, তারা ২০১৪ ও ২০১৮ সালের মতো বিরোধী দলকে মাঠ শূন্য করার চেষ্টা শুরু করে দিয়েছে। মামলা, সন্ত্রাস, গায়েবি মামলা দিয়ে মাঠ শূন্য করছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, আইন মন্ত্রণালয় থেকে তালিকা করে মামলাগুলো দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে সাজা দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বিরোধীদলের নেতৃত্ব দেওয়া নেতাদের সাজা দিয়ে সরিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা চলছে।

নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে দেশবাসী যখন ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে, তখন অলিক কথা বলে মিথ্যাচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে সরকার। আন্দোলন নস্যাৎ করতে হীন উদ্দেশে এসব করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, একতরফা সিটি নির্বাচন ঘোষণার পর সারাদেশে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, বাড়িতে বাড়িতে হামলা চালাচ্ছে। ফরমায়েশি রায় দিয়ে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের সাজা দেওয়া হচ্ছে। ঢাকাতে এরই মধ্যে দেড় হাজার মামলা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়াসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে আবারও সাজা দেওয়ার অপচেষ্টা শুরু হয়েছে।

‘বিএনপি বিদেশিদের কাছ শুধু নালিশ করে’ আওয়ামী লীগ নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে ফখরুল বলেন, বিএনপি কখনও নালিশ করে না। বিদেশিদের সঙ্গে বৈঠক নিয়মতান্ত্রিক আলোচনা।

আরও পড়ুন: সিলেটে জামাতুল আনসারের চার ‘জঙ্গি’ গ্রেপ্তার

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, সরকার ২০১৮ সালে সংলাপে একটিও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি। এবার তাদের আলোচনার বিষয়ে জনগণ আর বিশ্বাস করে না। এটি জনগণকে বিভ্রান্ত করার চক্রান্ত।

সরকারের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১০ দফা মেনে নিয়ে অবিলম্বে পদত্যাগ করুন, নয়তো আন্দোলনেই ফয়সালা। কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হচ্ছে, শিগগিরই ঘোষণা।


একাত্তর/এসি