দেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘তামাশার নির্বাচন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
মঙ্গলবার অজ্ঞাতস্থান থেকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি। রিজভী বলেন, তামাশার নির্বাচন করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহল নির্বাচন নিয়ে বিরূপ। সরকার পার পাবে না।
‘সরকার সম্পূর্ণরূপে জন বিচ্ছিন্ন। তাই তারা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দিচ্ছে না,’ বলেন তিনি।
গত ১৫ নভেম্বর ভোটের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। ভোট হবে ৭ জানুয়ারি।
রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমার পর যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে।
আগামী ১৭ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর ১৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ভোটের আনুষ্ঠানিক প্রচার প্রচারণা।
দেশের ২৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ভোটে অংশ নিলেও বিএনপি তফসিল বর্জন করে নির্বাচন থেকে দুরে রয়েছে।
সরকার পতনের এক দফা দাবিতে বিএনপির পক্ষ থেকে চালানো হচ্ছে হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি। তাদের এই কর্মসূচি সহিংস রূপ ধারণ করেছে। প্রায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্নস্থানে পোড়ানো হচ্ছে যানবাহন।
রিজভী বলেন, ‘ক্ষমতার লোভ সামলাতে না পেরে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটা করতে গিয়ে শেখ হাসিনা মানবাধিকার লঙ্ঘন করছেন।’
‘ক্ষমতা ধরে রাখতে গিয়ে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোথায় যাচ্ছে, সরকার কোনোদিকে খেয়াল রাখছে না,’ অভিযোগ রিজভীর।
বিএনপির এই নেতা দাবি করেন, ‘দেশের অর্থনীতি ভয়াবহভাবে বিপর্যস্ত। তারপরও সরকারের বিকার হচ্ছে না। দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেলেও তাদের কিছু যায় আসে না।’