১৪ দলের শরিকদের সংগঠিত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ১৪ দলের শরিকদের আরও সংগঠিত হবার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জোটের শরিক দলগুলোকে নিজেদের শক্তিশালী করতে হবে। মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে। সেই সঙ্গে অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল রাজনীতি এবং মানবতাবোধকে এগিয়ে নিতে হবে। 

বৃহস্পতিবার রাতে গণভবনে ১৪ দলের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠককালে জোটের শীর্ষ নেত্রী শেখ হাসিনা এ নির্দেশনা দেন। এ সময় শরিক দলগুলোর নেতারা বলেন, ১৪ দলের প্রাসঙ্গিকতা এখনও বিদ্যমান। 

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও নতুন সরকার গঠনের সাড়ে চার মাস পর জোট নেতাদের নিয়ে এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সন্ধ্যা ৭টা থেকে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা বৈঠকে শরিক দলগুলোর দু’জন করে নেতা অংশগ্রহণ করেন। 

 এ সময় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক-মুখপাত্র আমির হোসেন আমু এবং সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ ক্ষমতাসীন দলের কয়েক নেতাও ছিলেন। 

বৈঠক শেষে গণভবন গেটে প্রেস ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকের বৈঠকে সমসাময়িক পরিস্থিতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে ১৪ দলকে আরও সংগঠিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ১৪ দলের মধ্যে যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে, এ বৈঠকের পর সেটা থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

এ সময় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন সাংবাদিকদের কাছে বৈঠকের আলোচনার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

শরিক দলের নেতারা বলছেন সরকারের বিরুদ্ধে যে কোনো ষড়যন্ত্রে মোকাবেলায় তারা ঐক্যবদ্ধভাবে ছিলেন। তবে শরিকদের কথা বলার জায়গা দিয়ে দুরত্ব কমানোর কথা জানান দলের নেতারা। তারা আরও জানান, জোটে নতুন আর কারও অন্তর্ভুক্তি হবেনা। দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ থাকবে জোট। 

নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা ১৪ দল প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর অভিযোগ করে রাশেদ খান মেনন বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে যখন আক্রমণ হয়েছে তখন তারাই সোচ্চার ছিলেন ।

বৈঠক শেষে আওয়ামিলীগের দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন এ বৈঠকের পর ১৪ দলের মধ্য দিয়ে সকল দূরত্বের অবসান হলো।