রাষ্ট্রপতির তথ্য গোপন শাস্তিযোগ্য অপরাধ: আসাদুজ্জামান রিপন

রাষ্ট্রপতি তথ্য গোপন করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রিপন। 

বুধবার  দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় তিনি আরও বলেন, তার রাষ্ট্রপতি পদে থাকার অধিকার নেই। অন্তত এই কারণেই তার পদত্যাগ করা  তার মতো মানুষের রাষ্ট্রপতি হওয়ার যোগ্যতা ছিলো না।। কারণ আপাদমস্তক তিনি ছিলেন দুর্নীতিগ্রস্থ মানুষ।। তিনি বিভিন্ন দেশের রেসিডেন্টশিপ নিয়েছেন। সংবিধান অনুযায়ী ভিন দেশের নাগরিক রাষ্ট্রপতি হতে পারে না। তিনি বিভিন্নভাবে মানিলন্ডারিং করেছেন। এসব অপরাধে তার রাষ্ট্রপতি থাকা উচিত নয়। এই সবই শাস্তিযোগ্য অপরাধ।।

আাসাদুজ্জামান রিপন আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি যখন ভাষণে বলেন প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন- এটাই হচ্ছে সত্য কথা। তিনি জাতিকে তাই জানিয়েছিলেন। এর ভিত্তিতেই রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে দিয়েছিলেন। 

বিএনপির এই  ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, শেখ হাসিনা মনে করেছিলো দেশটা তার, তার বাবার, তার সন্তানদের। তাই যেভাবে ইচ্ছে সেভাবেই দেশটা চালিয়েছে।। জনগণ সেটি প্রত্যাখান করেছে। কোটা আন্দোলনের দূরদর্শী নেতা হলেন তারেক রহমান।।

বিএনপির এই নেতা জানান, গণঅভ্যুত্থান কখনও সংবিধান মেনে হয় না। শেখ হাসিনা চুপ্পুর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এটি সত্য কথা। এই তথ্য রাষ্ট্রপতি নিজে দিয়েছিলেন। এখন সেই পদত্যাগ পত্র খুঁজে না গেলে এর দায় কার?

তিনি আরও জানান, পুলিশ, বিচার বিভাগ, প্রশাসন সব ক্ষেত্রেই দুষ্টচক্র তৈরি করেছিল বিগত সরকার। এই চক্র না ভাঙলে দেশে টিকে থাকাই অসম্ভব হয়ে যেতো। দিনের ভোট রাতে করে সরকার ক্ষমতায় টিকে ছিল। সেই ডামি সরকারের ডামি প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন কি করলেন না, তা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা রাখে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

পদ্মা সেতু নিয়ে তিনি বলেন, নিজের টাকায় পদ্মাসেতু তৈরি হয়েছে বলা হয়েছে, অথচ সেই ঋণ শোধ করা হয় কাকে? সেই সময় চুপ্পুকে দুর্নীতি দমন কমিশনে বসানো হয়েছিল, তার দায়িত্ব ছিল পদ্মাসেতুর এই দুর্নীতিকে আড়াল করা। এ সময় এই সংকটকালে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকারও আহ্বান জানান তিনি।