‘নির্বাচন ছাড়া মানুষ আর বেশিদিন মেনে নেবে না’

নির্বাচন প্রলম্বিত করে সরকার যদি নিজের অবস্থান দীর্ঘায়িত করে তা যৌক্তিক হবে না এবং মানুষও তা আর বেশিদিন মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।

তার মতে, বিভিন্ন ঘটনায় সরকারের কর্মকাণ্ডে ৫ আগস্টের বিজয়ের আনন্দ ছয় মাসের মধ্যেই মলিন হয়ে গেছে। আর বিএনপি হাসিনার ফাঁদে পা দিতে চায় না বলেই দ্রুত নির্বাচনের কথা বলছে জানিয়ে সরকারের উদ্দেশ্য সৎ হলে রাষ্ট্র মেরামতে বিএনপির ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাব সরকার পড়ে দেখতো বলে জানিয়েছেন দলটির অন্য নেতারা।

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ‘ইন্সটিটিউট ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’ আয়োজিত জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের ছয় মাস ছাত্র-জনতা এখন কোথায় শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা দাবি করেন, বুলডোজার দিয়ে ভবন ভাঙার সুযোগ দিয়ে সরকার নিজেই তার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকার জনগণের প্রত্যাশা ঠিকভাবে পূরণ করতে পারছেন না।

এর আগে সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও আগামী বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ৭১ মুক্তিযুদ্ধের পর শেখ মুজিব নির্বাচন দিতে ব্যর্থ হয়েছিল বলেই মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা অধরা থেকে গিয়েছে।

আর অবিলম্বে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে আয়োজিত প্রতীকী এক অবস্থান কর্মসূচিতে বিএনপি নেতা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, সংস্কারের ফাঁক গলে এই সরকারকে বিএনপি আর কোনো ষড়যন্ত্রের সুযোগ দিতে চায় না।

তার দাবি, সময়মতো ডেভিল হান্টের অভিযান পরিচালনা করা হলে গাজীপুরে হামলার শিকার হতে হত না বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের।