বাবার পক্ষে ব্যতিক্রমী নির্বাচনী প্রচারে জাইমা রহমান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৭ আসনে বাবা তারেক রহমানের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে নেমেছেন জাইমা রহমান। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশান এলাকায় লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগের মাধ্যমে তাকে ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করতে দেখা যায়।

গুলশানের বাসভবন থেকে বেরিয়ে পায়ে হেঁটে জাইমা রহমান গুলশান অ্যাভিনিউসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। এ সময় তিনি ফুটপাতের পথচারী, রিকশাচালক, সিএনজিচালক এবং স্থানীয় দোকানিদের হাতে তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত নির্বাচনি লিফলেট তুলে দেন।

সাধারণ মানুষের কাছে নিজের পরিচয় দিয়ে তিনি বলেন, আমি জাইমা রহমান, তারেক রহমানের কন্যা। আমার আব্বা ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী, তার পক্ষে ভোট চাইতে এসেছি। আপনারা দোয়া করবেন।

627655871_1414605366782448_7223675681599832179_n

নির্বাচনী প্রচারে ক্ষেত্রে জাইমা রহমান এক অনন্য ও আধুনিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। নির্বাচনী বর্জ্য কমাতে এবং পরিবেশ রক্ষায় তিনি সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেটের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন উদ্ভিদের ‘বীজ’ বিতরণ করেন। তিনি ভোটারদের জানান, এই বীজগুলো মাটিতে বা টবে রোপণ করলে সুন্দর গাছ জন্মাবে, যা নগরীর পরিবেশের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বিপণিবিতান ও অফিসে প্রচারণা গণসংযোগের সময় তিনি গুলশান দুই নম্বর এলাকার বিভিন্ন শপিং মল ও বিপণিবিতানে যান। সেখানে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন এবং ভোট চান। এছাড়া সড়কের পাশের বিভিন্ন অফিসে প্রবেশ করে কর্মকর্তাদের সঙ্গেও নির্বাচনী আলাপচারিতা করতে দেখা যায় তাকে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই প্রচারণা গুলশান দুই নম্বর মোড়ে এসে শেষ হয়।

627037358_1401271457569934_6720308565090266363_n

গণসংযোগের সময় জাইমা রহমানের পাশে দেখা গেছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সহকারী ফাতেমা বেগমকে। এছাড়া নিরাপত্তা সদস্যদের উপস্থিতি থাকলেও জাইমা রহমান সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে কথা বলেন। অনেক সাধারণ মানুষকে তার সঙ্গে সেলফি ও ছবি তুলতে দেখা যায়, যা তিনি হাসিমুখে গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ এই দুটি আসন থেকে এবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাবার অনুপস্থিতিতে জাইমা রহমানের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ নির্বাচনী মাঠে নতুন আমেজ তৈরি করেছে।