মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপিল করার সুযোগ পাবেন কি না, তা আইন অনুযায়ী নির্ধারিত হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।
আইন ও বিচার বিভাগ এবং ব্র্যাকের মধ্যে ‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস: বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনের আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়ন’ সংক্রান্ত পাইলট প্রকল্পের সমঝোতা চুক্তিটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী জানান, বিচারাঙ্গনে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার যে বিষয়টি ঘটেছিলো, তা ইতিমধ্যে নিরসন হয়েছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মামলার জট কমাতে ও মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। বিচার ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশনের ফলে অনেক এলাকায় মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমানো সম্ভব হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, মানিকগঞ্জে প্রায় ৫০ শতাংশ মামলা নিষ্পত্তি করা গেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঝিনাইদহে মাদকের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্টের বাধ্যবাধকতা চালু করায় সংশ্লিষ্ট অপরাধ ও মামলার জটিলতা অনেকাংশে কমে এসেছে।
ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ব্র্যাকের সঙ্গে চুক্তি হওয়া এই প্রকল্পের আওতায় শিগগিরই ১০টি জেলার ১০টি উপজেলায় পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হবে। প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থা চালু হলে বাল্যবিয়া ও বহুবিবাহ কার্যকরভাবে রোধ করা সম্ভব হবে। সরকার বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে সর্বস্তরের মানুষের অধিকার সুনিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।