দেশের জনগণ ভারতের কোনো ষড়যন্ত্র যেমন মেনে নেবে না, তেমনি একাত্তরবিরোধী কোনো শক্তির চক্রান্তও বরদাশত করবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘ভারতের ইন্ধনে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের’ প্রতিবাদে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল এই সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশে রুহুল কবির রিজভী বলেন, একাত্তরে পরাজিত হওয়ার প্রতিশোধ যদি কেউ নিতে চায়, তবে তা হতে দেওয়া হবে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কক্ষে ছবি টানানোর বিষয়ে সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ঐতিহাসিক ‘মধুর ক্যান্টিন’কে কেউ যদি ‘ইসরাত মঞ্জিল’-এ রূপান্তর করতে চায়, তবে দেশের ছাত্রসমাজ তা কখনোই মেনে নেবে না।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক ভারত সফর না করা প্রসঙ্গে রিজভী অভিযোগ করেন, তারেক রহমান ভারতে না যাওয়ার কারণে আদানী গোষ্ঠী তাদের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখেছিলো।
ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানকে ‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে’ আমন্ত্রণ জানানো প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সম্মেলনে গিয়ে কি তিনি সাইডলাইনে গিয়ে বসবেন? ব্রিকসে অংশ না নিয়ে তিনি বরং দেশের ভাবমূর্তি ও গৌরব উজ্জ্বল করেছেন।
দেশের চলমান জ্বালানি সঙ্কটের বিষয়টি উল্লেখ করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, জ্বালানি সঙ্কট কোনো সরকারের নীতিগত ব্যর্থতার কারণে নয়, বরং বিশ্বব্যাপী মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে তৈরি হয়েছে। সঙ্কট সত্ত্বেও সরকার গ্যাসের স্বাভাবিক চাপ বজায় রাখতে নিরলস চেষ্টা করছে এবং জ্বালানি আমদানিতে কোনো ধরনের কার্পণ্য করছে না।
সমাবেশে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বক্তব্য দেন।