কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে পেরুকে ১-০ গোলে হারিয়ে এবারের আসরে প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে পৌঁছেছে ব্রাজিল। জয় পেলেও ব্রাজিলের একের পর এক সুযোগ মিস আর পেরুর আনাড়ি ফুটবলে ভাটা পড়েছে সেমিফাইনাল ম্যাচের উত্তেজনায়। তবে ড্রিবলিংয়ে মুগ্ধ করেছেন নেইমার জুনিয়র।
গ্যাব্রিয়েল হেসুস না থাকায় পাকুয়েতাকে নিয়েই সেমিফাইনালের একাদশ সাজান ব্রাজিলে কোচ তিতে। সেই পাকুয়েতাই ভাঙলেন ডেডলক। ৩৪ মিনিটে নেইমারের অসাধারণ একটি পাস থেকে লুকাস পাকুয়েতা। এক গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে গেলো ব্রাজিল। বিরতির পরও বল দখলে এগিয়ে থাকলেও ম্যাচে আর গোলের দেখা নেই। শেষ পর্যন্ত ১ গোলের জয়েই ফাইনাল নিশ্চিত হয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া ম্যাচের বিজয়ীর বিপক্ষে ফাইনালে লড়বে সেলেসাওরা।
ব্রাজিলের এই লিডে কৃতিত্ব নেইমার অনেকখানি পেতেই পারেন। কিন্তু ৩৫ মিনিটে হওয়া গোলটার আগে তুলনামূলক সহজ সুযোগ মিস করেছে ব্রাজিল। অনটার্গেট শটগুলোর বেশিরভাগই ছিল ধারহীন।
ব্রাজিলের ম্যানসিটি গোলকিপার এডারসন নিজের কাজটা ঠিকঠাক করতে না পারলে সমতায় ফিরতেই পারতো পেরু। তবে সব বিপদ এড়িয়ে কোপা আমেরিকার ফাইনালে পৌঁছে গেছে ব্রাজিল।
ম্যাড়ম্যাড়ে ম্যাচে অবশ্য দাপট ছিল ব্রাজিলেরই। পেরুর গোলমুখে মোট ১৫টা শট করেছে সেলেসাওরা। যার মধ্যে অন টার্গেট ছিল আটটা। সেগুলোর মধ্যে সাফল্য অবশ্য মিলেছে মোটে একটা থেকেই।
নেইমারের পারফরমেন্স নজর কেড়েছে। নব্বই মিনিটে তার পাস একুরেসি ৮৭ শতাংশ। লেফট উইংয়ে খেললেও অবশ্য পুরো ম্যাচে দুটো ক্রস এসেছে তার কাছ থেকে, যার একটাও কাজে লাগানো যায়নি।
শিরোপা জয়ে ব্রাজিলের সামনে আর একটা ম্যাচ, ফাইনালের লড়াইয়ে গ্যালারিতে দর্শক থাকছে। তাতে নেইমারদের খেলার ধার বাড়বে তো?
একাত্তর/এসজে