টিম ইন্ডিয়ার স্বপ্নভঙ্গ, ষষ্ঠবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া

১৯৮৭, ১৯৯৯, ২০০৩, ২০০৭ এবং ২০১৫ তে ওয়ানডে ক্রিকেটে বিশ্বকাপের শিরোপা জেতার পর ২০২৩ সালের চলতি আসরে ষষ্ঠবারের মতো শিরোপার স্বাদ নিলো অস্ট্রেলিয়া।

রোববার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে এক লাখ ৩০ হাজার দর্শকের সামনে ভারতের কাছ থেকে এ জয় তুলে নেয় তারা। ২৪১ রানের লক্ষে খেলতে নেমে ৪২ বল বাকি থাকতেই ছয় উইকেট হাতে নিয়ে জয়ে বন্দরে পৌঁছে যায় অজিরা।

এদিন ব্যাট হাতে একাই ব্যবধান গড়ে দেন অজি ওপেনার ট্রাভিস হেড। ফাইনালে করেন অনবদ্য সেঞ্চুরি। শেষ জয় থেকে মাত্র দুই রান দূরে থাকতে সিরাজের বলে গিলের হাতে ধরা পড়েন তিনি। ততক্ষণে তার ব্যক্তিগত খাতায় লেখা হয় ১৩৭ রানের এক মহা মূল্যবান ইনিংস। উইনিং শটটি আসে ম্যাক্সওয়েলের ব্যাট থেকে। আর লাবুশেন অপরাজিত থাকেন ৫৮ রানে।

ভারতীয় বোলারদের মধ্যে জসপ্রীত বুমরাহ দুই এবং মোহাম্মদ সামি ও মোহাম্মদ সিরাজ একটি করে উইকেট নন।

প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন ফাইনালের সেঞ্চুরিয়ান ট্রাভিস হেড।

প্লেয়ার অব দ্য সিরিজি নির্বাচিত হয়েছেন বিরাট কোহলি।

হেডের সেঞ্চুরি, জয়ের পথে অস্ট্রেলিয়া

বিশ্বকাপের ফাইনালে অসাধারণ এক ইনিংস খেললেন অজি ওপেনার ট্রাভিস হেড। ৯৫ বলে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে একটি ছয় ও ১৪টি বাউন্ডারি। হেডের সেঞ্চুরির মধ্য দিয়ে শিরোপার লড়াই এখন অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রণে।

অপরদিকে তাকে সঙ্গ দেওয়া লাবুশেনও খেলেছেন দুর্দান্ত আরেক ইনিংস। তিনিও তুলে নিয়েছেন ফিফটি।  ব্যাট করছেন ৪১ রানে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৪০ ওভারে তিন উইকেটে ২২৫। হেড ১২৮ ও লাবুশেন ৫৩ রানে অপরাজিত আছেন। শিরোপা জিততে তাদের প্রয়োজন ৬০ বলে মাত্র ১৬ রান।

ট্রাভিস হেডের ফিফটি, ঘুরছে খেলার মোড়

দলের বিপর্যয়ের মধ্যে দারুণ এক ইনিংস খেলে ফেললেন অজি ওপেনার ট্রাভিস হেড। ৫৮ বলে ৫০ রান তুলে নিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে ছয়টি চার ও একটি ছয়ের মার। চলতি আসরে দারুণ ফর্মে থাকা এই ব্যাটার অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষমতাও রাখেন। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন লাবুশেন। তিনি ব্যাট করছেন ২৩ রানে। আর হেড-লাবুশেন জুটিতে ঘুরছে খেলার মোড়। ইতিমধ্যে ৮৮ রান যোগ করেছে এই জুটি।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ২৫ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ১৩৫ রান। হেড ৬৫ ও লাবুশেন ২৭ রানের ব্যাট করছেন।

শুরুর ধাক্কা সামলে নিচ্ছে হেড-লাবুশেন জুটি

২৪১ রানের লক্ষে ব্যাট করতে নেমে ৪৭ রানে তিন উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। তার মধ্যে মোহাম্মদ সামি একটি ও জসপ্রীত বুমরাহ দুটি উইকেট শিকার করেন। সামি-বুমরাহর সুইংয়ে প্রথমেই নাস্তানাবুদ হয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটাররা।

কিন্তু  শুরুর সেই ধাক্কা সামলে নিচ্ছে ট্রাভিস হেড ও মার্নাশ লাবুশেনের জুটি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জুটিটির সংগ্রহ ৫৬ রান। তাদের মধ্যে হেড ৪৪ ও লাবুশেন ১৭ রানে ব্যাট করছেন। আর ২০ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ তিন উইকেটে ১০৩ রান।

অস্ট্রেলিয়ার ধস, এবার ফিরলেন স্মিথ

ভারতীয় পেস অ্যাটাকের সামনে শুরুতেই চোখে সর্ষেফুল দেখছে অজি ব্যাটারার। তাদের সুইংয়ে নাস্তানাবুদ হয়ে পড়েছে অজি টপ অর্ডার। ইনিংসের ছয় ওভারের শেষ বলে বুমরার একটি ইনসুইং রিড করতে ভুল করেন স্টিভ স্মিথ। বল গিয়ে লাগে পায়ে। আর আবেদনের পর সময়ই নেননি আম্প্যায়র। সোজা স্মিথকে দেখিয়ে দেন প্যাভিলিয়নের পথ। তবে রিভিউ নেওয়ারও সাহস করেননি স্মিথ।

৯ বলে চার রান করেন স্মিথ। তার মধ্যে ছিল একটি বাউন্ডারি। এরপর ব্যাট করতে এসেছেন মার্নাশ লাবুশেন।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ আট ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ৪৭ রান।

এবার বুমরার শিকার মিচেল মার্শ

অল্প রানের ম্যাচটি রোমাঞ্চকর হতে চলেছে। শুরুতে সামির আঘাতের পর এবার আঘাত করলেন জসপ্রীত বুমরাহ। তিনি তুলে নিলেন মিচেল মার্শের উইকেট। 

চার দশমিক তিন ওভারে অফ স্ট্যাম্পের বাইরের একটি ডেলিভারি পয়েন্টে কাট করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লেগে তা চলে যায় লোকেশ রাহুলের হাতে।

১৫ বলে ১৫ রান করা মার্শের ইনিংসে রয়েছে একটি ছয় ও একটি চারের মার। 

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ পাঁচ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ৪১ রান। ট্রাভিস হেড আট ও স্মিথ শূন্য রানে ব্যাট করছেন।

শুরুতেই অস্ট্রেলিয়ার শিবিরে সামির আঘাত

বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে দিনের শুরুতে বলে সুইং দেখা না গেলেও দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই তা দেখা গেছে। বুমরার করা ইনিংসের প্রথম বলটি ওয়ার্নারের ব্যাটারে কানা ছুয়ে দ্বিতীয় স্লিপ দিয়ে গড়িয়ে যায়। পরের ওভারেই আক্রমণে আসেন মোহাম্মদ সামি। নিজের প্রথম বলেই ওয়ার্নারকে তুলে নেন তিনি। অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বলটি সুইং করে চলে যাওয়ার সময় তাতে ব্যাট চালিয়ে বসেন ওয়ার্নার। তা ব্যাটারে কানায় লেগে চলে যায় প্রথম স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকে বিরাট কোহলির হাতে।

এর মধ্য দিয়ে প্রথম উইকেটের পতন হয় অস্ট্রেলিয়ার। তিন বলে সাত রান করেন ওয়ার্নার।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ তিন ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ২৯ রান। হেড আট ও মার্শ ছয় রানে ব্যাট করছেন।

বিশ্বকাপ জয়ে অসিদের লক্ষ্য ২৪১

এবারের বিশ্বকাপের আসরে বেশির ভাগ ম্যাচই ছিল বড় স্কোরের। কিন্তু ফাইনালে ঘটলো তার উল্টো। রানের মহোৎসবে লো স্কোরের ফাইনাল ম্যাচ দেখবে বিশ্ব।

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে টস জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন অজি কাপ্তান প্যাট কমিন্স। শুরুতে রোহিতের কিছু দুর্দান্ত শট ছাড়া তার সিদ্ধান্তই যে সঠিক, তা লাগাতার প্রমাণ করেন অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা।

শুভমন গিলকে সাজঘরে ফিরিয়ে এর শুরু। শেষ হয় কুলদীপ যাদবের মাধ্যমে। মূলত গিল ও শ্রেয়সের ব্যর্থতায় এদিন মুষড়ে পড়ে টিম ইন্ডিয়া। তবে রোহিত যে ছন্দে ছিলেন, তার ইনিংসটি লম্বা হলে হয়তো গল্পটা অন্যরকম হতে পারতো। শেষ পাওয়ার প্লেতে ভারত যোগ করে মাত্র ৪৩ রান, হারায় ছয় উইকেট।

ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে এদিন রোহিত ৪৭, কোহলি ৫৪, রাহুল ৬৬ এবং সুরিয়া কুমার ১৮ রান করেন। ইনিংসের শেষ বলে রান আউটে কাটা পড়েন কুলদীপ যাদব। ভারতের ইনিংস গিয়ে থামে ২৪০ রানে।

অজি বোলারদের মধ্যে এদিন সবচেয়ে সফল ছিলেন মিচেল স্টার্ক। ১০ ওভারে ৫৫ রান দিয়ে নিয়েছেন তিন উইকেট। অন্যদের মধ্যে হ্যাজেলউড, কমিন্স দুটি করে এবং জাম্পা ও ম্যাক্সওয়েল নিয়েছেন একটি করে উইকেট। 

ফিরলেন সুরিয়া, পুরো ওভার খেলাই কঠিন ভারতের

ফাইনালে ভারতের স্কোর মোটামুটি চ্যালেঞ্জিং করতে শেষ ভরসা ছিলেন সুরিয়া কুমার যাদব। তবে সে আশাও গুড়েবালি। এদিন ফ্লপ এই ৩৬০ ডিগ্রি বিগ হিটার। ৪৭ দশমিক তিন ওভারে হ্যাজেেউডের একটি স্লো বাউন্সার পুল করতে গিয়ে কটবিহাইন্ড হন তিনি। ২৮ বলে তিনি করেছেন মাত্র ১৮ রান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভারতের সংগ্রহ ৪৮ ওভারে ৯ উইকেটে ২২৭ রান।

বুমরাহকে ফেরালেন জাম্পা

বিশ্বকাপের ফাইনালে শেষ পাওয়ার প্লেতে নিজেদের খুঁজে পাচ্ছেনা ভারত। দ্বিতীয় পাওয়ার প্লে শুরু পর ৩০ বলে এসেছে মাত্র ১৮ রান। আর এর মধ্যেই খোয়া গেছে তিনটি উইকেট।

সবশেষে ৪৪ দশমিক পাঁচ ওভারে জাম্পার বলে এলবিডব্লিউ হন টেল এন্ডার জসপ্রীত বুমরাহ (১)।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভারতের সংগ্রহ ৪৫ ওভারে আট উইকেটে ২১৫ রান।

এবার স্টার্কের শিকার মোহাম্মদ সামি

প্রথম পাওয়ার প্লে থেকে শেষ পাওয়ার প্লে, কোনোটাতেই সুবিধা করতে পারছেন টিম ইন্ডিয়া। যদিও প্রথম পাওয়া প্লেতে রোহিতের কিছু সাহসী সট খাতায় কিছু রান যোগ করে দিয়েছে, তবে শেষের বেলায় তেমনটা আর হতে দেখা যাচ্ছে না।

দুই ওভার আগে প্যাভিলিয়নে ফেরা লোকেশ রাহুলের পর এবার স্টার্কের শিকার হলেন মোহাম্মদ সামি। লঙঅনের ওপর দিয়ে স্টার্ককে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লেগে তা চলে যায় উইকেট কিপারের হাতে। ১০ বলে সামি করে ছয় রান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভারতের সংগ্রহ ৪৪ ওভারে সাত উইকেট ২১৩ রান।

প্যাভিলিয়নের পথ ধরলেন মাটি কামড়ে থাকা রাহুল

ভারতীয় ব্যাটারদের যাওয়া-আসার মধ্যে মাটি কামড়ে ছিলেন লোকেশ রাহুল। ফিফটি তোলার পর হাত খেলেননি তিনি। ধারনা করা যাচ্ছিলো- সুরিয়া কুমার যাদবকে নিয়ে শেষে মারকূটে ভূমিকায় আসবেন। কিন্তু তার আর হলো না। ৪১ দশমিক তিন ওভারে মিচেল স্টার্কের একটি আউট সুইট ব্যাটের কানায় লেগে চলে যায় উইকেট কিপার জস ইংলিশের হাতে। আর মধ্যে দিয়ে শেষ হয় ফাইনালের মঞ্চে রাহুলের লড়াকু এক ইনিংস।

১০৭ বল খেলে মাত্র একটি বাউন্ডারির সাহয্যে তিনি করেন ৬৬ রান। ভারতের রানের চাকা ঘোরাতে এখন শেষ অবলম্বন সুরিয়া কুমার যাদব। তার দিকেই তাকিয়ে আছে গোটা প্যাভিলিয়ন ও টিভির সামনে বসে থাকা দর্শক।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভারতের সংগ্রহ ৪৩ ওভারে ছয় ইউকেটে ২১১ রান।

রাহুলের ফিফটি, ফিরলেন জাদেজাও

বিশ্বকাপের ফাইনালে বিরাট কোহলি পর ফিফটি তুলে নিয়েছেন উইকেট কিপার ব্যাটার লোকেশ রাহুল। ৮৬ বলে ৫০ তোলা এই ব্যাটারের বাউন্ডারি রয়েছে একটি। এদিকে ভারতের রানের গতিও বেশ মন্থর। ৩৫ ওভার শেষে তাদের রান রেট ৪.৯৯। ধারনা করা যাচ্ছে, আজকের ম্যাচটি বিগ স্কোরের দিকে নাও যেতে পারে।

এদিকে আরও একটি বিপর্যয় ঘটেছে ভারতের। ৩৫ দশমিক পাঁচ ওভারে হ্যাজেলউডের একটি ডেলিভারি কাভারে ড্রাইভ করতে গিয়ে উইকেট কিপারের হাতে ধরা পড়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা। ২২ বল খেলে তিনি করেছেন মাত্র ৯ রান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৬ ওভারে পাঁচ উইকেটে ভারতের সংগ্রহ ১৭৮ রান। জাদেজার পর ব্যাট করতে এসেছেন সুরিয়া কুমার যাদব। আর রাহুল অপারজিত আছেন ৫৫ রানে।

কোহলির ইনিংস লম্বা হতে দিলেন না কমিন্স

ভারতে তিন উইকেট পতনের পর দলকে টেনে তুলছেন বিরাট কোহলি। ইতিমধ্যে তুলে নিয়েছেন আরেকটি ফিফটি। কিন্তু তার ইনিংসটি লম্বা হতে দিলেন না প্যাট কমিন্স। ২৮ দশমিক তিন ওভারে অফ স্ট্যামের বাহিরের একটি বাউন্স ডেলিভারি আলতো করে খেলতে গিয়ে বল ব্যাট থেকে গড়িয়ে স্ট্যাম্পের বেল উপড়ে দেয়।

৬৩ বল খেলে তিনি করেছেন ৫৪ রান। এর মধ্যে বাউন্ডারি ছিল চারটি। কোহলির পর ব্যঅট করতে এসেছেন রবীন্দ্র জাদেজা। অপরপ্রান্তে আছেন লোকেশ রাহুল।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভারতের সংগ্রহ ২৯ ওভারে চার উইকেটে ১৪৯। রাহুল ৩৭ এবং জাদেজা শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।

কোহলির ফিফটি, রাহুলকে নিয়ে আগাচ্ছে ভারত

পাওয়ার প্লের পর তিন উইকেট হারিয়ে খানিকটা চাপে পড়া ভারতকে টেনে তুলেছেন বিরাট কোহলি ও লোকেশ রাহুল। এরই মধ্যে কোহলি চলতি বিশ্বকাপে আরও একটি হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। ৫৬ বলে চার বাউন্ডারিতে তিনি এই রান করেন।

তাকে বেশ ভালো সঙ্গ দিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। এই জুটির সংগ্রহ ইতিমধ্যে পঞ্চাশ ছাড়িয়ে গেছে। 

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভারতের সংগ্রহ ২৬ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রান। বিরাট কোহলি ৫০ ও লোকশ রাহুল ৩২ রানে ব্যাট করছেন।

পাওয়ার প্লের পর ফিরলেন শ্রেয়সও

২০২৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালের শুরুটা জমিয়ে করতে পারলো না ভারত। বিশেষ করে পাওয়ার প্লেতে দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শুভমন গিলের বিদায়ে বেশ চাপে পড়ে ভারত। তারপর এই চাপও আরও বাড়িয়ে দেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা শ্রেয়স আইয়ার। ১০ দশমিক দুই ওভারে কমিন্সের শিকার হন তিনি।

ভারতের খাতায় তখন রান ৮১। শ্রেয়সের পর মাঠে এসেছেন লোকেশ রাহুল। তিনি বেশ ভালোই সঙ্গ দিচ্ছেন বিরাট কোহলিকে। 

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ভারতের সংগ্রহ ১৬ ওভারে তিন উইকেটে ১০১ রান। বিরাট কোহলি ৩৪ ও রাহুল ১০ রানে ব্যাট করছেন।

গিলের পর ফিরলেন রোহিত

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফাইনালে শুরুতেই ধরা দিলেন শুভমান গিল। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে মিচেল স্টার্কের অফ স্ট্যাম্পের বাইরে শর্ট বলে পুল করেন ভারতীয় এই ওপেনার, কিন্তু মিড অনে ধরা পড়েন অ্যাডাম জাম্পার হাতে। 

দলীয় ৩০ রানে প্রথম উইকেট হারায় ভারত। ৭ বল খেলে ৪ রান করেছেন গিল।

এরপর তিনে ব্যাট করতে নামেন বিরাট কোহলি। রোহিতের সঙ্গে কোহলিও চড়াও হন অজি বোলারদের ওপর। 

তবে দলীয় ৭৬ রানে আবার উইকেট হারায় ভারত। ৩১ বলে ৪৭ রানের মারমুখি ইনিংস খেলে আউট হন রোহিত।

সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারতের সংগ্রহ- ৭৬/২ (ওভার : ৯.০)

ফাইনালে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে অস্ট্রেলিয়া

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে রোববার ২০২৩ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। ফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ এই টস জিতে নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। 

অস্ট্রেলিয়া বেছে নিয়েছেন ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত। ফলে রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারতকে আগে নামতে হবে ব্যাটিংয়ে।

রোববার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হলো দুই ক্রিকেট পরাশক্তি। ১ লাখ ৩২ হাজার আসনবিশিষ্ট স্টেডিয়ামে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। 

অস্ট্রেলিয়া রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। আর স্বাগতিক ভারত শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছে দুবার। দুই দলের সামনেই এই পরিসংখ্যানকে আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ।