এক ম্যাচ আগেই কি সুপার এইটের টিকিট নিশ্চিত করবে বাংলাদেশ? নেদারল্যান্ডসকে হারালেই পরিষ্কার হয়ে যাবে পরের পর্বে যাওয়ার রাস্তা। অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের কাছে সেরা পারফর্ম্যান্সটাই চায় ভক্ত থেকে ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা। সেইন্ট ভিনসেন্টে ম্যাচ শুরু রাত সাড়ে আটটায়।
ডাচ দুর্গে আটক আহত বাঘেরা, গ্যালারিতে মুখ লুকানোর জায়গা খুঁজছিলো টাইগার ভক্তরা। ২৮ অক্টোবর ২০২৩, কলকাতায় বাংলাদেশের ক্রিকেটের লজ্জাজনক একটা দিন।
ওয়ানডে বিশ্বকাপের ম্যাচ, আইসিসির সহযোগী সদস্য দুর্বল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেই ৮৭ রানের বড় পরাজয়। ভারত বিশ্বকাপে ব্যর্থতার ষোলকলাই পূর্ণ হয়েছিলো সেদিন। নিশ্চয়ই সাত মাসেও বাঘেদের শুকায়নি সেই ক্ষত, সেইন্ট ভিনসেন্টে কী দল বেঁধে শিকার করতে পারবেন? প্রতিপক্ষকে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারবেন শান্ত এন্ড কোং?
বৃহস্পতিবারই প্রতিশোধ নেয়ার দিন। ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে ডে ম্যাচ। ছোট ফরম্যাটে দুই দলের চার দেখায়, এক জয় নেদারল্যান্ডসের। তিনবার হেসেছে টিম বাংলাদেশ।
নেপালকে হারিয়েছে নেদারল্যান্ডস, শ্রীলঙ্কাকে বাংলাদেশ, পয়েন্ট টেবিলে দুই দলের একই হাল। দুই ম্যাচে একটা করে জয়। এ ম্যাচে প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডসের চেয়েও বাংলাদেশের বেশি দুশ্চিন্তা অচেনা মাঠের উইকেট নিয়ে।
সেইন্ট ভিনসেন্টের কিংসটাউনের আর্নস ভ্যালে স্টেডিয়ামে গেলো দশ বছর ধরে হয় না কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ। যদিও, এখানের সবশেষ ম্যাচটা খেলেছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সেই টেস্টে বাংলাদেশ হেরেছিলো দশ উইকেটে।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এই ভেন্যুর প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেও টিম টাইগার্স। তাই নিউইয়র্কের মতো সাগর পারের পিচের চরিত্র নিয়েও বড় ভাবনায় টাইগার টিম ম্যানেজমেন্ট।
ডালাসের পর নিউইয়র্ক, প্রথম দুই ম্যাচেই পেসাররা আলো ছড়িয়েছে। রিশাদও লেগস্পিনে ভেলকি দেখিয়েছে। বল হাতে আউট অব ফর্ম সাকিব। ব্যাটিংয়ের সময়েও যেন ঠিকঠাক দেখছেন না বল।
শুধু কি এই তারকা অলরাউন্ডার? লিটন, শান্তদেরও উইলোর ঝলক দেখানোর বিকল্প নেই। দেশের দুই নামকরা প্রতিভাবান ব্যাটারেরও গড় আর স্ট্রাইকরেট নিয়ে ট্রল হচ্ছে দিনে রাতে নানা প্ল্যাটফর্মে।
সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাট হাতে ভরসার উঁচু পাহাড় তাওহীদ হৃদয়। ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলে জায়গা করে নিয়েছেন সবার মনের মনিকোঠায়। ভক্তদের প্রত্যাশা, প্রতি ম্যাচেই চার ছক্কায় সবাইকে মাতিয়ে রাখুক এই ফ্লামবয়েন্ট উইলোবাজ।