সিলেটে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ওভারে শেষ বলে মেহেদী মিরাজের হাতে কট নিশান মধুসখা। এরপর ১২তম ওভারে সাজঘরে কুশল মেনডিস ও করুনারত্নে। তারপর এই তালিকায় যোগ হলেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, দিনেশ চান্দিমাল। স্কোর বোর্ডে তখন ৫৭ রানে পাঁচ উইকেট। ধারনা করা হচ্ছিলো লঙ্কানদের প্রথম ইনিংস আর বেশি দীর্ঘ হবে না। অনেকে ধরেই নিয়েছিলেন রান হয়তো ১৫০ এর মধ্যেই থাকবে।
কিন্তু সেই ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে অনন্য দুটি ইনিংস খেললেন লঙ্কান দুই মিডলঅর্ডার। শুধু পিচে দাঁড়িয়ে ধস ঠেকাননি, ঘুরিয়েছেন রানের চাকাও। তাদের ব্যাটিং স্ট্রাইকরেট ছিল ওয়ানডের মতো। শেষতক এই জুটি সংগ্রহ করেন ২০২ রান। তার মধ্যে দুই জনই তুলে নিয়েছেন টেস্ট সেঞ্চুরি।
৫৬ দশমিক তিন ওভারে নবাগত নাহিদ রানার বলে উইকেট কিপার লিটনের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে মাঠ ছাড়েন কামিন্দু মেনডিস। এর আগে ১২৭ বলে তিনটি ছক্কা ও ১১টি চারে ১০২ রান করেন তিনি। দলীয় সংগ্রহ তখন ২৫৯।
এই জুটি ভাঙার পর বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে পারেননি ধনঞ্জয়া। ৫৮ দশমিক চার ওভারে সেই নাহিদেরই শিকার তিনি। এর আগে ১৩১ বলে এক ছয় ও ১২ চারে তিনিও সংগ্রহ করেন ১০২ রান।
তবে থামছিলনা নাহিদের আগ্রাসন। দুই সেঞ্চুরিয়ানকে ফেরানোর পর প্রবাথ জয়সুরিয়াকেও (১) ফেরান এই নয়া পেসার। বর্তমানে ব্যাট করছেন কাশুন রাজিথা (৪) ও বিশ্ব ফারনেনডো (৯)।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে খালেদ আহমেদ, নাহিদ রানা তিনটি করে এবং শরিফুল ইসলাম পেয়েছেন একটি উইকেট।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ আট উইকেট হারিয়ে ২৭৮ রান।