মিরপুর টেস্টে ফল যে অবধারিত তা এখন বলাই যায়। তবে জিতবে কে, এই প্রশ্ন সামনে এলো পাল্লা ক্রমশ ভারী হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার দিকেই। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটারদের ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তারা কিছুটা জবাব দিচ্ছেন প্রোটিয়াদের। তবে খেলাটা পাঁচ দিনের, সবে শেষ হলো দুই দিন। দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে আছে ১০১ রানে। ইতিমধ্যে খরচ হয়ে গেছে তিনটি উইকেট।
দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেট রক্ষক ব্যাটার কাইল ভেরেইনের দারুণ এক সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩০৮ রান। এছাড়া মুণ্ডার করেন ৫৪। মূলত এই দুই জনের ১০৮ রানের জুটি প্রোটিয়াদের বড় স্কোরের দিকে নিয়ে গেছে।
২০২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটাও ভালো করেনি বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন সাদমান ইসলাম। তবে এদিন রানের খাতা খুলতে (১) পেরেছেন। তিনি শিকার হন রাবাদার। স্কোর বোর্ডে তখন রান চার।
এরপর আসেন মুমিনুল হক। প্রথম ইনিংসে চার করা মুমিনুল অবশ্য দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হয়েছেন শূন্য রানে। সাদমান আউট হওয়ার তিন বল পরই সাজঘরে ফেরেন তিনি। এক ওভারে দুই উইকেট নিয়ে প্রোটিয়ারা তখন আকাশে উড়ছে, আর সেই আকাশই ভেঙে পড়েছে শান্তদের মাথায়।
তারপর গুরু দায়িত্ব নিয়ে মাঠে আসেন গুরু শান্ত। খেলছিলেন ভালোই। কিন্তু হঠাৎ কী যে হলো, মহারাজার একটি সোজাসাপটা ডেলিভারিতে ভ্যাবাচ্যাগা খেয়ে বসেন তিনি। ১৮ দশমিক পাঁচ ওভারে সেই ডেলিভারি ব্যাটেই স্পর্শ করতে পারেন নাই। মহারাজার আবেদন অবশ্য আঙুল তুলতে বেশি সময়ও নেন নাই আম্পায়ার। জয়ের সঙ্গে ৫৫ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন তিনি। আর একপাশ আগলে রেখে লড়তে থাকেন জয়।
দ্বিতীয় ইনিংসে মুশফিককে বেশ ছন্দেই দেখা যাচ্ছে। জয়কে (৩৮) সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছেন তিনি (৩১)। বাংলাদেশের সংগ্রহ গিয়ে দাঁড়ায় তিন উইকেট হারিয়ে ১০১। এখনও তারা পিছিয়ে ১০১ রান, এরপর যোগ হবে সাউথ আফ্রিকার জন্য টার্গেট। আর সেটা কতো হতে পারে?
শেষ বিকেলে আলোক স্বল্পতায় খেলা বন্ধ করে দেন আম্পায়াররা। বুধবার আধ ঘণ্টা আগে খেলা শুরু হবে।