তিন সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড়ে প্রোটিয়ারা, চাপে চ্যাপ্টা শান্তরা

চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টে তিন সেঞ্চুরি আর দুই ফিফটিতে রানের পাহাড় গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ছয় উইকেট হারিয়ে ৫৭৫ রান করে ইনিংস ডিক্লোয়ার করেন মাকরাম। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশি বোলারদের হাড়ভাঙা পরিশ্রমে জল ঢেলে দিয়ে একে একে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন টনি ডি জর্জি (১৭৭), ট্রিস্টিয়ান স্টাবস (১০৬) ও উইয়েন মুল্ডার (১০৫×)।  আর ফিফটি তুলে নিয়েছেন বেডিংহাম ও মুতুসামি। এদিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রাপ্তি তাইজুলের ফাইফার।

ব্যাটিং স্বর্গ চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম দিন ৮১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ৩০৭ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। ওপেনার টনি ডি জর্জির সঙ্গে ২০১ রানের জুটি দিয়ে সেঞ্চুরি করে ফেরেন ত্রিস্তান স্টাবস। দ্বিতীয় দিনও ভালো শুরু করে তারা। কিন্তু লাঞ্চের আগে পরপর তিন ওভারে তিন উইকেট তুলে নেন তাইজুল ইসলাম। উইকেটে জমে যাওয়া টনি ডি জর্জি ও ডেভিড বেডিংহামকে ৯৯তম ও ১০১তম ওভারে আউট করেন তিনি। পরের ওভারে এসে ফেরান কাইল ভেরায়েনেকে। চট্টগ্রাম টেস্টে প্রোটিয়াদের প্রথম ৫ উইকেটই নেন বাঁ-হাতি এই স্পিনার। পরে রিকেলটনকে ফিরিয়েছেন পেসার নাহিদ রানা।

দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস ঘোষণার পর ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং স্বর্গে সর্ষে ফুল দেখতে শুরু করেন দেশি ব্যাটাররা। প্রথম ওভারে ডাক মেরে বসেন সাদমান ইসলাম। এরপর পঞ্চম ওভারে জাকির হোসেন (২০), ষষ্ঠ ওভারে মাহমুদল হাসান জয় (১০) ও সপ্তম ওভারে সাজঘরে ফেরেন নাইটওয়াচ ম্যান হাসান মাহমুদ (৩)। তখন বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে রানের সংখ্যা চার উইকেট হারিয়ে ৩২। এর মধ্যে দুটি উইকেট নেন রাবাদা এবং একটি করে পিটারসেন ও মহারাজ।

এই যখন স্কোর বোর্ডের অবস্থা, তাতে দর্শক মনে প্রশ্ন বাংলাদেশ ইনিংস পরাজয় এড়াতে পাারবে তো?