২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল যদি ভারত বনাম পাকিস্তান হয়, তবে মুম্বাইয়ের আইকনিক ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে খেলার সুযোগ হারাবে- টিম ইন্ডিয়া। বর্তমান সূচি অনুযায়ী, ভারত যদি সুপার এইট পর্ব পেরিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে, তবে তাদের দ্বিতীয় সেমিফাইনালটি মুম্বাইয়ে খেলার কথা।
তবে একটি বিশেষ শর্তে এই ভেন্যু পরিবর্তিত হতে পারে। যদি সুপার এইট পর্বের ফলাফল এমন হয় যে, সেমিফাইনালে ভারত ও পাকিস্তান মুখোমুখি হচ্ছে, তবে ভারতকে ম্যাচটি খেলার জন্য শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে অবস্থিত আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে যেতে হবে।
সুপার এইট গ্রুপে ভারত যদি প্রথম এবং পাকিস্তান দ্বিতীয় অবস্থানে থাকে (অথবা এর উল্টোটা হয়), তবেই এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী সেমিফাইনালে একে অপরের মুখোমুখি হবে। এমনটি ঘটলে ভারত ৫ মার্চ মুম্বাইয়ের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে না খেলে বরং ৪ মার্চ কলম্বোতে প্রথম সেমিফাইনালটি খেলবে। কাকতালীয়ভাবে, ঐদিন ভারতে অন্যতম বড় উৎসব ‘হোলি’ বা দোলযাত্রা উদযাপিত হবে।
আইসিসি এক বিজ্ঞপ্তিতে আগেই জানিয়েছে, যদি ভারত ও পাকিস্তান সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়, তবে সেই ম্যাচটি কলম্বোতে অনুষ্ঠিত হবে। অন্যথায়, ভারত পাকিস্তান বাদে অন্য যেকোনো দলের মুখোমুখি হলে মুম্বাই দ্বিতীয় সেমিফাইনালের স্বাগতিক হবে।
পাকিস্তান সেমিতে উঠলে প্রথম সেমির ভেন্যুও কলকাতা থেকে পরিবর্তিত হয়ে কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে চলে যাবে। দুই দেশের মধ্যে ২০২৭ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকা ‘হাইব্রিড মডেল’ চুক্তির কারণে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার যেকোনো ম্যাচ নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজন করা বাধ্যতামূলক। এই কারণেই সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে ভারতকে শ্রীলঙ্কায় পাড়ি দিতে হবে।
একটি মজার বিষয় হলো, শ্রীলঙ্কা এই বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক হওয়া সত্ত্বেও, তারা যদি সেমিফাইনালে ওঠে, তবে ম্যাচটি খেলার জন্য তাদের ভারত সফরে আসতে হবে।